• সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০, ০১:৫০ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
ভুলুয়া নদীর তীরে ছাত্রলীগের বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী পালন। সুবর্ণচরে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা নিউইয়র্কে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা নুরুল করিম জুয়েলের সাথে নোয়াখালী ছাত্রলীগের মতবিনিময় মাদারীপুরে আড়িয়াল খাঁ নদীর শহর রক্ষা বাঁধের ভাঙন, আতঙ্কে শহরবাসী সবুজ বাংলাদেশ সুবর্ণচর উপজেলা শাখার ঈদ পূর্ণমিলনী ও বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি উদ্বোধন। বিশ্বে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৫ হাজার ৪শ’ মানুষের মৃত্যু সুবর্ণচর উপজেলা ছাত্রলীগের জন্য এমপি পুত্রের উপহার। ৫০টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে কোম্পানীগঞ্জে ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়ে ৯০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, বিকাশ ম্যানেজারসহ আটক ২ নোয়াখালীতে কোরবানির পশুর হাটে সচেতনামূলক ক্যাম্পেইন

নিজ দেশের যুবাদের আচরণের কঠোর শাস্তি চান কপিল, আজহার

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে ভারতের ক্রিকেটারদের বাদানুবাদ ও হাতাহাতির পরিস্থিতিতে চরম হতাশা জানিয়েছেন কপিল দেব ও মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন। ভারতের কিংবদন্তি সাবেক এই দুই ক্রিকেটার নিজ দেশের যুব ক্রিকেটারদের আচরণের কঠোর শাস্তি চেয়েছেন।

গত রবিবার বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতকে ডি/এল মেথডে ৩ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। খেলা শেষে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের উদযাপন ঘিরে তৈরি হয় উত্তপ্ত পরিস্থিতি। বাদানুবাদ ও হাতাহাতিতে লিপ্ত হন দুদলের ক্রিকেটাররা।

ভারতের গণমাধ্যম দ্য হিন্দুকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভারতের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক কপিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কাছে চেয়েছেন কঠোর ব্যবস্থা, ‘আমি দেখতে চাই যে বোর্ড কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে উদাহরণ তৈরি করবে। ক্রিকেট খেলাটা প্রতিপক্ষকে অপমানের জায়গা না। আমি নিশ্চিত এদের শিক্ষা দেওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে বিসিসিআইয়ের।’

মাঠের খেলায় আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে নামায় কোনো আপত্তি দেখছেন না কপিল। তবে সেই আগ্রাসন সীমা ছাড়িয়ে যাওয়াতেই তার যত আপত্তি, ‘আগ্রাসনকে আমি স্বাগত জানাই। এখানে ভুল কিছু নাই। কিন্তু আগ্রাসনে নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে। ভদ্রতার সীমা ছাড়ানো যাবে না। ক্রিকেট মাঠে যেটা হয়েছে, সেটা একেবারেই অপ্রত্যাশিত।’

একই মত ভারতের সফল অধিনায়কদের একজন আজহারউদ্দিনের। তার প্রশ্ন, ভারতের ক্রিকেটারদের কী শেখাচ্ছেন কোচ ও টিম ম্যানেজমেন্ট, ‘যুব দলের ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাইব আমি। কিন্তু আমার জানতে হবে নিয়মটা কী আর সাপোর্ট স্টাফরা কী শিখিয়েছে। দেরি হওয়ার আগেই তা করতে হবে। খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা শিখতে হবে।’

মিড ডে পত্রিকাকে তিনি বলেন, খারাপ আচরণের কোনো অজুহাত হতে পারে না, ‘আপনি ব্যাটিং, বোলিং খারাপ করতে পারেন। এটা হয়। কিন্তু বাজে ব্যবহারের কোনো অজুহাত হয় না। তাদের আচরণ ছিল বিশ্রী।’

তবে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ে কোনো মন্তব্য নেই তার। আজহার চাইছেন কেবল নিজে দেশের ক্রিকেটারদের শৃঙ্খলা, ‘দেখেন বাংলাদেশেরটা তাদের সমস্যা, আমাদের সমস্যাটা আমাদের। আপনি দেখেছেন কী খারাপ ভাষা তারা ব্যবহার করেছে!’

এই ঘটনায় অবশ্য ব্যবস্থা নিয়েছে আইসিসি। বাংলাদেশের তিন ও ভারতের দুই ক্রিকেটারকে কয়েক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/