• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ০১:৩৫ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
কুয়েতের আমিরের মৃত্যুতে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক বৃহস্পতিবার আলোচিত বরগুনার রিফাত হত্যা, মিন্নিসহ ৬ আসামির মৃত্যুদন্ড, ৪ জন খালাস আফুরান সাহস আর ভরসার প্রতীক শেখ হাসিনা সালাউদ্দিন কে সরাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়! জনতার রাজনীতির এক যোদ্ধার নাম সম্রাট সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা জুয়েলকে যুক্তরাষ্ট্রস্থ কোম্পানীগঞ্জবাসীর সংবর্ধনা! ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড একটি জাতিগোষ্ঠী ও জাতিসত্তাকে গণহত্যার সামিল রামগঞ্জে ছাত্রলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত মুজিববর্ষ উপলক্ষে নোয়াখালীতে ছাত্রলীগের উদ্যোগ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২১ শে আগস্ট ও বিএনপির ঐতিহাসিক বিচারহীনতার চরিত্র

ফেসবুক লাইভের কল্যাণে ১০ বছর পর বাবা-মাকে খুঁজে পেল শফিক

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

১০ বছর আগের কথা। কোনো এক অজানা কারণেই বাড়ির সামনে থেকে ঢাকাগামী গাড়িতে চড়ে বসে কিশোরগঞ্জের সাত বছর বয়সী শফিক। এরপর থেকে খোঁজ মেলেনি তার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক লাইভের কল্যাণে ১০ বছর পর মা-বাবাকে ফিরে পেলো সে।

সম্প্রতি সমাজকর্মী শেখ জসিম শফিককে সঙ্গে নিয়ে ফেসবুক লাইভে তার কাহিনী বর্ণনা করেন। আর সেই ফেসবুক লাইভ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে।

এ ফেসবুক লাইভ দেখে সন্তান হারানোর শোকে কাতর শহীদ মিয়া ও সুফিয়া খাতুন যোগাযোগ করেন তার ঠিকানায়। রোববার ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাবা শহীদ মিয়া ও মা সুফিয়া খাতুন শ্রীমঙ্গলের পুরানগাঁওয়ের কাবুল মিয়ার বাড়িতে গিয়ে হাজির হন, যেখানে আশ্রিত ছিল শফিক।

আশ্রয়দাতা কাবুল মিয়া জানান, তিনি যখন অসহায় শিশুটিকে রাস্তায় অসহায়ের মতো ঘুরে বেড়াতে দেখেছেন , তাকে ফেলে আসতে বিবেক সায় দিচ্ছিলো না। ছেলেটি খারাপ কোনো মানুষের হাতে পড়তে পারে, এমন বিপদের আশঙ্কায় তিনি শফিককে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

তিনি আরো বলেন, যখন আমি ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করি– আমার সঙ্গে বাড়িতে যাবে কিনা, সে মাথা নেড়ে সায় দেয়। তখন তাকে আমার নিজ বাড়ি শ্রীমঙ্গলের পুরানগাঁও মহালদার বাড়িতে নিয়ে আসি।

শ্রীমঙ্গলের পুরানগাঁও এলাকায় আশ্রয়দাতা কাবুল মিয়ার পরিবারের অন্য ৮ মেয়ে ও দুই ছেলের সঙ্গেই বেড়ে ওঠে শফিক।

ফেসবুক লাইভের সূত্র ধরে কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের ধূলিহর গ্রাম থেকে কিছু লোক জসিমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা শফিককে চিনেন বলে জানান। তারা বলেন, শফিক ধূলিহর গ্রামের শহীদ মিয়া ও সুফিয়া খাতুনের হারিয়ে যাওয়া সন্তান। শফিককে ভিডিওতে দেখেই তাদের হারিয়ে যাওয়া সন্তান বলেই শনাক্ত করেন।

অন্যদিকে, মন না মানলেও, পালক বাবা কাবুল মিয়াও চান শফিক তার, মা-বাবার কাছে ফিরে যাক। আবেগ আপ্লুত কাবুল বলেন, সেই ছোটবেলায় তাকে রাস্তায় পেয়েছিলাম। বাড়িতে এনে নিজের সন্তানের মতো বড় করেছি। কিন্তু আমার মন মানছে না। শফিক চলে যাবে ভাবলেই প্রচণ্ড কষ্ট হয়। তাকে হয়তো আমি জন্ম দিইনি, কিন্তু বাবা-মায়ের অভাব তাকে বুঝতে দিইনি।

শফিক জানায়, কাবুল মিয়া ও তার স্ত্রী নিজ সন্তানের মতোই আদর মমতা দিয়ে বড় করে তুলেছেন তাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/