• বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:২০ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান ইমাম রাসেল’র জন্মদিন উদযাপন কোম্পানীগঞ্জে ঋণের দায়ে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা! ডুবাইয়ে ইস্কান্দার মির্জা শামীমকে সম্মাননা প্রদান বিকাশ প্রতারকের সঙ্গে প্রেম করে টাকা উদ্ধার করলেন কলেজছাত্রী কোম্পানীগঞ্জে অটোরিকশা চাপায় স্কুল ছাত্র নিহত! চিফ হুইপের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে প্রতারণা, গ্রেফতারকৃত জাহিদ ৩ দিনের রিমান্ডে মামুনুল ও ফয়জুলের গ্রেপ্তারের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ রামগঞ্জে পৌর সোনাপুর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী ফয়সাল মালের নির্বাচনি মোটরবাইক শোডাউন জোনাকি পোকা হিংসে হয় দিবালোকের প্রতি!! রামগঞ্জে পৌর নির্বাচনে সোনাপুর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাজুকে পুনরায় নির্বাচিত করার লক্ষে আলোচনা সভা

মুসলিম দেশে এনজিও’র মিশন!

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২০

এনজিও কিন্তু অনন্তকাল ধরা চলা কোন প্রতিষ্ঠান নয়। ৬০ এর দশকের স্নায়ুযুদ্ধের ডামাডোলার ভিতরে তৈরি করা হয় এনজিও কে।৬০ এর দশকে অনেক গুলো রাষ্ট্র যখন সমাজতান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছিলো তখন উদ্বেগ বাড়ে আমেরিকার। কেন দেশ গুলোতে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হচ্ছে সেটা নিয়ে শুরু হয় গবেষণা। দেখা গেলো, যে দেশ গুলোতে তীব্র দারিদ্রতা বেশি সেই সব দেশে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া মানুষ গুলো অস্ত্র হাতে তুলে নেয় শাসক শ্রেণীর বিরুদ্ধে,পতন ঘটে পুঁজিবাদের। তখন আমেরিকা চিন্তা করলো এমন একটা প্রতিষ্ঠান বানানোর যারা দেশে দেশে চরম দারিদ্রতার হাত থেকে মানুষকে বাঁচাবে। মানে মানুষের যেন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে না যায় সেই ব্যবস্থা করবে। শুরু হল এনজিও’র কার্যক্রম। এনজিও’ তৎপরতায় গরিব মানুষ রাতে রাতে ধনী হয়ে যাবেনা(সেটা তাদের লক্ষও নয়) আবার না খেয়েও মরবেনা। ফলে মানুষ আর বিপ্লবী হয়ে উঠবেনা। মানুষ আর চাইবেনা রাষ্ট্রযন্ত্র বদলে ফেলতে,শাসন পদ্ধতি বদলে ফেলতে। গরিব দেশ গুলোতে আমেরিকা তথা পশ্চিমাদের টাকায় শুরু হল এনজিও’র কার্যক্রম। আমাদের দেশেও শুরু হল এনজিও’র কার্যক্রম।সদ্য স্বাধীন দেশ হওয়ায় আমরাও সেটাকে আশির্বাদ হিসেবেই নিয়েছিলাম। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যায়।নতুন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হওয়ার ভীতি চলে যায় আমেরিকার মন থেকে। আমেরিকা হয়ে যায় বিশ্বের একক পরাশক্তি। কিন্তু ২/১ বছর পরেই আমেরিকার নতুন শত্রুর আবির্ভাব হয়,তার নাম “ইসলাম”।

হান্টিংটনের ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনের হাত ধরে ইসলাম হয়ে উঠে আমেরিকার একমাত্র শত্রু। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই তারা এনজিও গুলোকে লেলিয়ে দেয় ইসলামের বিরুদ্ধে। নতুন মিশনে নেমে পড়ে এনজিও গুলো। তারা ইসলামের মৌলিক ভিত্তি গুলোর উপর আক্রমণ করতে থাকে কৌশলে। নারীর ক্ষমতায়নের নামে মুসলিম নারীদের বের করে আনে ঘর থেকে। একটু ভেবে দেখেন “ক্ষুদ্রঋণ নিতে হলে নারীকে লাগবে” কেন এই নিয়ম?? কারণ তাহলে সারাজীবন পর্দায় থাকলেও নারীদের ছবি তুলতে হবে, এনজিও অফিসে যেতে হবে, কিস্তির টাকা দিতে দেখা করতে হবে পুরুষের সাথে। জনসংখ্যা বেড়ে গেছে বলে তারা শুরু করেছে পরিবার পরিকল্পনা। আপাত সুবিধা গুলো দেখিয়ে আসলে তারা ভেঙ্গে দিতে চাচ্ছে ইসলামের মৌলিক ভিত্তি। এইভাবে ইসলামের ক্ষতি হবে যেইসব জিনিসে সেইসব জিনিসকে নানা মোড়কে মুড়ে তারা খাওয়াচ্ছে ইসলামি দেশ গুলোতে। দেখলে আপাতত মনে হয় যে তারা আমাদের খুব ভাল চাচ্ছে,আসলে ভুল সবেই ভুল।

কিছু ভাল দিক থাকাতে তাদের কার্যক্রমে কেউ বাধাও দিতে পারছেনা। বাধা দিলেই তাকে প্রগতির বিরোধী , মোল্লা, মৌলবাদী ইত্যাদি বলে এমন বিতিকিচ্ছির অবস্থায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে যে তা কল্পনাতীত। এছাড়া গরিব দেশ গুলোর অপরাজনীতি আর দুর্নীতির সুযোগ তো তারা ব্যবহার করছেই। ফান্ড আসছে বলে অনেক বুদ্ধিজীবীও সব দেখে না দেখার ভান করছে। এছাড়া অনেক বুদ্ধিজীবী তো প্রগতির নামে তাদেরকেই সমর্থন করছে। আর আলেম সমাজের কার্যক্রম অর্থনীতি বা রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত নয় বলে তাদের সাবধানবানী খুব একটা কাজে আসছেনা। সুস্থ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ছাড়া এনজিও গুলোর কার্যক্রম থামানোর চেষ্টা করা আর কাঠের গাই থেকে দুধ ধোয়া একই কথা। দারিদ্রতা দূর করতে না পারলে এনজিও তাদের অপতৎপরতা থামাবে না কোন দিন। ইসলামের ব্যাপক ক্ষতি করে ইসলামের মৌলিক ভীত দুর্বল করে দেওয়াই এনজিও গুলোর লক্ষ্য।

https://www.facebook.com/abdulkaium.regan.5?__tn__=%2CdlC-R-R&eid=ARDfhJJHhtRb8IXd8nXJg2l1GmAMYtdCS4HWoL-puTVwK0Ds_E-CRQQlpMDbXdTBFlYzIiS2YmkmZjer&hc_ref=ARRaBT1qfj1ODs8HRGdtAUV3Ps8qL2TFvSz_IL3Gj_XqYwp0JpTZOGQ602Cj91caQkU

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/