• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:৫০ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
সালাউদ্দিন কে সরাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়! জনতার রাজনীতির এক যোদ্ধার নাম সম্রাট সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা জুয়েলকে যুক্তরাষ্ট্রস্থ কোম্পানীগঞ্জবাসীর সংবর্ধনা! ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড একটি জাতিগোষ্ঠী ও জাতিসত্তাকে গণহত্যার সামিল রামগঞ্জে ছাত্রলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত মুজিববর্ষ উপলক্ষে নোয়াখালীতে ছাত্রলীগের উদ্যোগ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২১ শে আগস্ট ও বিএনপির ঐতিহাসিক বিচারহীনতার চরিত্র কোম্পানীগঞ্জসহ আরও ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের স্থান চূড়ান্ত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: কী ঘটেছিল সেই দিন বঙ্গবন্ধু বিশ্বের মুক্তিকামী সকল মানুষের রাজনৈতিক আদর্শ

স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতিকারীদের রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করতে হবে

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২০

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু বলেছেন, যারা স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি করে এবং বাংলাদেশকে মানে না তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করতে হবে।

আজ বুধবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১৪ দল আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণির পেশাজীবী নেতৃবৃন্দের এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আমির হোসেন আমু বলেন, যারা সব সময় স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি করে, বাংলাদেশকে মানে না তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যে জোয়ারের সৃষ্টি হবে তার মাধ্যমে বিএনপি-জামাতের মত অপশক্তিগুলো একসময় নিঃশেষ হয়ে যাবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী যারা পালন করে না তারা স্বাধীনতার বিরোধীশক্তি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের প্রবীন এই নেতা বলেন, ভারতের মহাত্মা গান্ধীর জন্মশতবার্ষিকীতে বিজেপি বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করেছে। জাতির পিতার কর্মসূচি পালনের ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে কোনো দ্বিধাদ্বন্ধ ছিল না। অথচ আমাদের জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীতে বিএনপি এবং জামাতের কোনো কর্মসূচি নেই।

তিনি বলেন, আমরা সবাই বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা পূর্ব রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করি। কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনায় একজন রাষ্ট্র নায়ক হিসেবে কেমন ছিলেন, শাসক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা কেমন ছিল এগুলো আমরা আলোচনা করি না।

বঙ্গবন্ধু একজন ভালো শাসক ছিলেন জানিয়ে আমির হোসেন আমু বলেন, সমুদ্রসীমা নিয়ে বঙ্গবন্ধু অনেক আগেই চিন্তা করেছিলেন। এ বিষয়টি নিয়ে অন্য কারো চিন্তা ছিল না। কৃষকদের জন্য তিনি ভূমি সংস্কার এবং সমবায়ের মতো শক্তিশালী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। 

এমনিভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য তিনি দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন। এই দিক নির্দেশনাগুলো তুলে ধরলেই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানতে পারবে বঙ্গবন্ধু কেমন রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেন, মুজিব বর্ষে স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তির পরাজয় হতে পারে না। জাতির পিতা এসেছিলেন বলেই আমাদের নতুন করে স্বাধীন বাংলাদেশে পুনর্জন্ম হয়েছিল। তাই হাজার বছর ধরে বাঙালি জাতির কাছে বঙ্গবন্ধু স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

এ সময়ে তিনি আগামী ১৭মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় সারাদেশে মোমবাতি প্রজ্জলন ও বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঐদিন সন্ধ্যা ৬ টায় মানিকমিয়া এভিনিউতে মোমবাতি প্রজ্জলন করে ধানমন্ডি ৩২নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবনে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো হবে। বাসস

ইত্তেফাক নিউজ

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/