• শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন

কোম্পানীগঞ্জে বিদেশী নাগরিকের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখতে গিয়ে বিপাকে পুলিশ

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৯

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে শেখ মো: আলী আব্দুল্লাহ নামে আরব আমিরাতের এক নাগরিকের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখতে গিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ”ডুবাই ওয়ালার” বাড়িতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। অভিযোগ রয়েছে প্রশাসনের কাছে তথ্য গোপন করে আরব আমিরাতের ঐ নাগরিককে আশ্রয় দিয়েছে দাগনভূঞা উপজেলার দক্ষিন চন্ডিপুর গ্রামের ফাতিমা বেগম(৩৫)।

জানা যায়, দাগনভূঞা উপজেলার দক্ষিন চন্ডিপুর গ্রামের স্বামী পরিত্যাক্তা প্রবাসী নারী ফাতিমা বেগম গত ৩ নভেম্বর আরব আমিরাতের অসুস্থ্য নাগরিক আলী আব্দুল্লাহকে বাংলাদেশে নিয়ে এসে বসুরহাট পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ”ডুবাই ওয়ালার” ভাড়া বাসায় আশ্রয় দিয়ে রেখেছেন। ভিন দেশী ঐ নাগরিককে আশ্রয় দিতে তিনি প্রশাসনকে কোন প্রকার তথ্য দেননি বা অনুমতিও নেননি। এ সংবাদটি পাওয়ার পর কোম্পানীগঞ্জ থানার ডিএসবি শাখার কর্মকর্তা এসআই মকবুল হোসেন ও কনস্টেবল তাহের সেখানে গিয়ে তাদের সম্পর্কে তথ্য নিয়ে আসেন এবং তাদেরকে জেলা ডিএসবি অফিসে ঐ ব্যক্তির সম্পর্কে তথ্য দিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেন। একই সময় কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে উপ-পরিদর্শক(এসআই) জাকির হোসেন সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যসহ সেখানে ঐ নাগরিক সম্পর্কে তথ্য নিতে যান। উভয় কর্মকর্তা ঐ নারীর কাছে তাদের পাসপোর্ট ও এ দেশে আসার বৈধ কাগজ পত্র দেখাতে বললে তারা পাসপোর্ট-ভিসা দেখাতে না পারলেও শুধুমাত্র দুটি বিমান টিকেট দেখাতে পারেন। এসময় এসআই জাকির হোসেন তাদের সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের জন্য বিমান টিকেট দুটি থানায় নিয়ে আসেন এবং পরের দিন তা থানা থেকে সংগ্রহ করার জন্য ফাতিমা বেগমকে বলে আসেন। পুলিশি তদন্ত কালে স্থানীয় ৫জন সংবাদকর্মী ও স্থানীয় বেশ কয়েজন লোকও উপস্থিত ছিল।

এদিকে বিদেশী নাগরিক ঐ বাসায় অবস্থান করছে এমন সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে একই দিন সন্ধ্যায় উৎসুক জনতা বিদেশী নাগরিককে দেখতে ঐ বাসার সামনে ভিড় করছে এমন সংবাদ পেয়ে ঐ নাগরিকের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) শিশির কুমার বিশ্বাস ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজ খবর নেন এবং উৎসুক জনতাকে সেখান থেকে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এসময় এসআই শিশির কুমার বিশ্বাস ঘটনাস্থল থেকেই উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে ফোনে বিষয়টি অবহিত করেন। কিন্তু বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে পুলিশকে নাজেহাল করার জন্য একটি বিশেষ মহল উঠে পড়ে লেগেছে।

অথচ দাগনভ‚ঞা নিবাসী ঐ নারী কেন বা কি উদ্দেশ্যে বিদেশী নাগরিককে বসুরহাট পৌরসভার ভাড়া বাসায় আশ্রয় দিল, কেনইবা এ তথ্য প্রশাসনের কাছে গোপন করল তা কেউ খতিয়ে দেখছেনা। বিদেশী ঐ নাগরিকের কোন অসুবিধা হলে এর দায়দয়িত্ব কে নিবে এ বিষয়েও কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। “চিলে কান নিয়ে গেছে” শুনে চিলের পেছনে দৌড়াচ্ছি সবাই। কিন্তু একবার নিজের কান আছে কিনা সেটি দেখছিনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/