• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:১২ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
সালাউদ্দিন কে সরাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়! জনতার রাজনীতির এক যোদ্ধার নাম সম্রাট সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা জুয়েলকে যুক্তরাষ্ট্রস্থ কোম্পানীগঞ্জবাসীর সংবর্ধনা! ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড একটি জাতিগোষ্ঠী ও জাতিসত্তাকে গণহত্যার সামিল রামগঞ্জে ছাত্রলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত মুজিববর্ষ উপলক্ষে নোয়াখালীতে ছাত্রলীগের উদ্যোগ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২১ শে আগস্ট ও বিএনপির ঐতিহাসিক বিচারহীনতার চরিত্র কোম্পানীগঞ্জসহ আরও ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের স্থান চূড়ান্ত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: কী ঘটেছিল সেই দিন বঙ্গবন্ধু বিশ্বের মুক্তিকামী সকল মানুষের রাজনৈতিক আদর্শ

আবর্জনায় কুড়িয়ে পালক মেয়েটি বাবাকে এতো বড়ো প্রতিদান দিলো!

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৯




মানবিকতার নজির, আবর্জনার স্তুপ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া সদ্যোজাত মেয়েকে কুড়িয়ে পেয়েছিলেন জনৈক। এবার সেই মেয়েই বড় প্রতিদান দিল জনৈক ব্যক্তিকে। ঘটনাটির সুত্রপাত আসামে।



আসল ঘটনাটি হলো আসামের এক ছোট্ট অতি প্রত্যন্ত গ্রামে এক জন গরীব ঘরের সবজি বিক্রেতা নিখিল এর জীবনের। প্রতিদিন সকালে সবজি বিক্রি করতে বাজারে যায় সে, আর সেই সবজি বিক্রির টাকা থেকেই চলে নিখিলের রুজি রোজগার এবং ছোট সংসার এর প্রতিদিনের দায়ভার খরচা। তার এই ছোট্ট একার সংসারেই ঘটলো একদিন এক অদ্ভুত ঘটনা।







ঘটনার প্রথম সূত্রপাত এখান থেকেই, একদিন রাস্তায় প্রতিদিনের মতই সবজি বিক্রি করছেন নিখিল, ঠিক এই সময়ই তার চোখে পড়ে রাস্তার ধারে আবর্জনার স্তূপের মধ্যে কিছু একটা পড়ে আছে এবং সেখান থেকে শব্দ হচ্ছে। নিখিল সেখানে দৌড়ে গিয়ে দেখতে পান একটি ফুটফুটে সুন্দর সদ্যজাত কন্যা সন্তান সেখানে পড়ে আছে।



নিখিল অবাক হয়ে যান সেই বাচ্চা শিশুটিকে দেখে, কিন্তু একজন ভালো মানুষিকতার পরিচয় দিয়ে তিনি ওই বাচ্চা মেয়েটিকে কোলে তুলে নেন এবং তাকে নিয়ে যান তার বাড়ি। তিনি মেয়েটির নাম রাখেন মিথিলা। নিখিলের তখন বয়স ছিল প্রায় ৩২ ছুঁইছুঁই কিন্তু আর তখন ও তিনি ছিলেন অবিবাহিতও।







ফলে বাচ্চাটিকে মানুষ করতে তার কোনো ধরণের অসুবিধাই হয়নি। প্রবল দরিদ্রতার ও আর্থিক অভাব অনটন টানাটানির সংসারের মধ্যেও মিথিলাকে তার নিজের মেয়ের মতনই আদর যত্নে ভালোবাসায় প্রকৃত মানুষ করেন নিখিল, তাকে বড় করে তোলেন। শুধু তাই নয়, মিথিলার ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাকে উপযুক্ত ভাবে তৈরি ও করেন। তাকে পড়াশোনা শিখিয়ে করে তোলেন মানুষের মতো মানুষ। যাতে ভবিষ্যত্‍ এ মিথিলাকে আর কোন সমস্যার মধ্যে পড়তে না হয় তার অতীত পরিচয় নিয়ে তার পুরনো ঘটনা যাতে তাকে আর মনে করতে না হয় তার জন্যে। সেই মিথিলাই বড়ো হয়ে একজন আইপিএস অফিসার হয়।







বর্তমানে একজন আইপিএস অফিসারের পদে কর্মরত মিথিলাও সব জায়গায় তুলে ধরেছেন তার জীবনে নিখিলের অবদান। মিথিলা, নিখিল কেই তার পিতা বলে বর্ণনা করেন সর্বত্র এবং পিতৃ পরিচয় এর স্বীকৃতি দেন সবজায়গায়। তাই তার এমন সাহসী কাজকে স্যালুট জানাতেই হয় এবং নিখিলের মতন এমন নির্ভীক দৃঢ়চেতা, উদার মানসিকতার মানুষকে।


নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/