• শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২০, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন

‘কালো থাবায়’ বাংলাদেশ ক্রিকেটের ২ অগ্রদূত

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯

বাংলাদেশ ক্রিকেটে আশা জাগানো এক আশার ফুল ঝরে যায় ১৩ আগস্ট ২০১৩ সালে। সাত বছর পর আরেকটি ফুলে আঘাত। একজন বাঘা বাঘ ক্রিকেট পরাশক্তির বিপক্ষে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে জয়ের পথ ছিনিয়েছেন। আরেকজন জয়কে নিয়মিত করে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে বিশ্বের বুকে মেলে ধরেছেন।২০১৩ সালে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে ঢাকা গ্লাডিয়েটরস দলের পক্ষে খেলার সময় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল ম্যাচ পাতানোর সাথে জড়িয়ে পড়েন। দোষ স্বীকার করলে তাকে সব ধরণের ক্রিকেট থেকে আট বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। একইসাথে তাকে ১০ লাখ টাকাও জরিমানা করা হয়।

যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেটে বোর্ড বা বিসিবির কাছে এক আপীলের পরিপ্রেক্ষিতে আশরাফুলের আট বছরের নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে পাঁচ বছরে আনা হয়।নিষেধাজ্ঞা শেষে খেলায় ফিরলেও জাতীয় দলে ফেরা হলো না আশরাফুলের। এবার আরেক অধিনায়কের বিরুদ্ধে একই কোর্টের অভিযোগ। তবে আশরাফুল পাতানো ম্যাচ খেললেও সাকিব তা প্রত্যাখ্যান করলেন। ভুল করলেন আইসিসির ২.৪.৪ রুলস ভঙ্গ করে। যেখানে সাকিব ফিক্সিংয়েরে অফার পেয়েও আইসিসিকে তা জানাননি। না জানানোটাই সাকিবের জন্য কাল হলো।

সাকিবের মতো সিনিয়র ক্রিকেটারের কাছে আইসিসি এমন আচরণ কামনাও করেনি। তবে দোষ স্বীকার করায় সাকিবের দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা এক বছর কমিয়েছে আইসিসি।

২০০৬ সালে অভিষেকের পর ১৩ বছরের ক্যারিয়ারে দেশের ক্রিকেটকে দিয়েছেন অনেক বিজয়গাঁথা ম্যাচ। নিজের বর্ণঢ্য ক্যারিয়ারে ৫৬ টেস্টে ১০৫ ইনিংসে ৫ সেঞ্চুরিসহ ৩৯.৪০ গড়ে ৩৮৬২ রান করেন সাকিব। ২০৬ ওয়ানডে ম্যাচে ১৯৪ ইনিংসে ৯ সেঞ্চুরিসহ ৩৭.৮৬ গড়ে ৬৩২৩ রান করেন সাকিব। ৭৬ টি-টোয়েন্টিতে ৯ ফিফটিসহ ২৩.৭৪ গড়ে ১৫৬৭ রান করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..