• বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:৩১ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
কোম্পানীগঞ্জে ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমেদ স্বাক্ষরিত কমিটি বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল! বেগমগঞ্জে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ভাবীকে হত্যা! একজন আব্দুল কাদের মির্জার বেড়ে ওঠার গল্প! সূবর্নচরে হৃদয় বিদারক ঘটনা:আপন ঘরে ঠাঁই হলোনা সালাহ উদ্দিনের! মাশরাফীর স্বপ্নের হাসপাতালের নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে! লেখক আলতামিশ নাবিলের ব্লগ উন্মোচিত কসবায় ট্রেন দুর্ঘটনা:একটি শেয়ারে পরিবার ফিরে পেতে পারে আহত শিশুটি! কসবায় ট্রেন দুর্ঘটনা; আহত শিশুটির পরিবারের সন্ধানে সকলের সহযোগিতা কামনা কসবায় দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১২ ঢাবির নোয়াখালী ছাত্রকল্যাণ পরিষদের নেতৃত্বে পারভেজ-তামজিদ

সাকিবের বিরুদ্ধে অভিযোগই গঠন হয়নি!

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯

সাকিব ইস্যুতে তোলপাড় পুরো ক্রিকেটাঙ্গাণে। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এই বাতাস বইছে বিশ্ব ক্রিকেটেও। দুই বছর আগে ফিক্সিং প্রস্তাব পেয়ে সেটা প্রত্যাখ্যান করলেও আইসিসিকে না জানানোর অপরাধে ১৮ মাসের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পেতে যাচ্ছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এমন খবরের পর বিষয়টি নিয়ে নানা কানাঘুষা শোনা যাচ্ছে। যদিও বিসিবি কিংবা আইসিসি এখনো এ বিষয়ে অফিসিয়ালি কিছু জানায়নি।

সোমবার মধ্যরাতে একটি দৈনিকে প্রথম খবর প্রকাশিত, অসতর্কতার কারণে এক জুয়াড়ির টেলিফোনের তথ্য গোপন করার মাশুল গুনতে যাচ্ছেন টাইগারদের ওয়ানডে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। আইসিসি’র অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কোড অব কন্ডাক্ট বলছে এ জন্য অভিযুক্তের সাজা হতে পারে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর। আর অপরাধ লঘু হলে সর্বনিম্ন ছয় মাস। এছাড়াও সাজার বিরুদ্ধে সুযোগ আছে আপিল করার।আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টে ২.৪.৪ ধারায় ব্যাখ্যা আছে বিষয়টির।

সেখানে স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করা, এমন কোনো প্রস্তাব পেলে সরাসরি দ্বারস্থ হতে হবে আইসিসির। তখন তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টি দেখভাল করবে বিশ্ব ক্রিকেটের অ্যান্টি করাপশন ইউনিট।খবর অনুযায়ী, সাকিবকে ১৮ মাসের শাস্তি দিচ্ছে আইসিসি। কিন্তু এরিমধ্যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, এখনো সাকিবের বিরুদ্ধে অভযোগই গঠন করেনি আইসিসি। শাস্তি নির্ধারণ তো দূরের কথা!ক্রিকেট সম্পর্কিত জনপ্রিয় ওয়েসবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো আইসিসির বরাত দিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, ফিক্সিং প্রস্তাব পাওয়ার পরও সে বিষয়ে কেনো আইসিসিকে জানানো হয়নি- এ বিষয়ে এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে আকসু। কিন্তু এখন পর্যন্ত সাকিবের বিপক্ষে কোনো অভিযোগই গঠন করা হয়নি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে সাকিবের বিরুদ্ধে এখন আইসিসি কোন অভিযোগ গঠন করেনি।

আইসিসি কিংবা তাদের দুর্নীতি দমন ইউনিট এ ব্যাপারে কিছু্ বলেনি। সাধারণত তদন্তাধীন কোনো ইস্যুতে আগে থেকে কিছুই জানায় না আইসিসি।প্রটোকল অনুয়াযী, কোনো বিষয়ের তদন্ত সম্পন্ন হলে আইসিসি আকসু প্রথমে সেই প্রতিবেদন আইসিসির সবচেয়ে সিনিয়র আইন উপদেষ্টার কাছে পাঠায়। তিনিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন, ওই বিষয়ে অভিযোগ গঠন করা হবে কিনা।

অভিযোগ গঠনের পর অভিযুক্ত এটি মেনে নিতে পারেন অথবা এর বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন। যদি তিনি অভিযোগ স্বীকার করে নেন তাহলে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের আগেই তাকে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। আর তিনি যদি এটা নিয়ে আইনি লড়াইয়ে যেতে চান তাহলে একটি স্বাধীন ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..