• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:৩২ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
সালাউদ্দিন কে সরাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়! জনতার রাজনীতির এক যোদ্ধার নাম সম্রাট সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা জুয়েলকে যুক্তরাষ্ট্রস্থ কোম্পানীগঞ্জবাসীর সংবর্ধনা! ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড একটি জাতিগোষ্ঠী ও জাতিসত্তাকে গণহত্যার সামিল রামগঞ্জে ছাত্রলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত মুজিববর্ষ উপলক্ষে নোয়াখালীতে ছাত্রলীগের উদ্যোগ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২১ শে আগস্ট ও বিএনপির ঐতিহাসিক বিচারহীনতার চরিত্র কোম্পানীগঞ্জসহ আরও ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের স্থান চূড়ান্ত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: কী ঘটেছিল সেই দিন বঙ্গবন্ধু বিশ্বের মুক্তিকামী সকল মানুষের রাজনৈতিক আদর্শ

সোনাগাজীতে ঘর পেলো ২৮০টি অসহায় পরিবার

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯

মোতাহের হোসেন ইমরান : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে ঘোষিত সবার জন্য বাসস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘যার জমি আছে ঘর নাই, তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ’ আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের ঘর পেয়ে খুশিতে আত্মহারা সোনাগাজী উপজেলার ২৮০টি অসহায় পরিবার।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের অধীনে প্রকল্প নির্মাণে ২৮০টি অসহায় পরিবারের জন্য ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এই প্রকল্পে হতদরিদ্র অসহায় পরিবার যার ১ থেকে ১০ শতাংশ জমি আছে কিন্তু ঘর নেই, তাঁর নিজ জমিতে গৃহনির্মাণে একটি ঘরের জন্য ভ্যাট ও ট্যাক্স ছাড়া ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

স্বপ্নহারা মানুষের নতুন ঠিকানা মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে ১টি ঘর ১টি টয়লেট পাওয়া যা হতদরিদ্র মানুষের কাছে সোনার হরিণ।স্থানীয় পৌর মেয়র-চেয়ারম্যান, মেম্বার দিয়ে জরিপ করে উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ২৮০টি পরিবারের গৃহ নির্মাণের তালিকা তৈরি করা হয়। সোনাগাজীর চরমজলিশপুর ইউনিয়নে ২১টি, বগাদানা ইউনিয়নে ৩১টি, মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নে ৩১টি, মতিগঞ্জ ইউনিয়নে ২৯টি, চরদরবেশ ইউনিয়নে ৩৪টি, চরচান্দিয়া ইউনিয়নে ২৫টি, সোনাগাজী সদর ইউনিয়নে ২৭টি, আমিরাবাদ ইউনিয়নে ৩০টি, নবাবপুর ইউনিয়নে ২৭টি ও সোনাগাজী পৌরসভায় ২৫টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। অসহায় পরিবারগুলো স্বপ্ন দেখতে শুরু করে ঘর বাঁধার। গৃহ নির্মাণ করা হলে সহায়-সম্বলহীন পরিবারগুলো নতুন করে স্বপ্ন দেখে সংসার করার। ঘর নির্মাণে অনিয়ম ঠেকাতে আশ্রয়ন প্রকল্পের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সোহেল পারভেজ সার্বক্ষণিক তদারকি করে প্রকল্পের মেয়াদকাল যথা সময়ে শেষ করেন।

এরপর নির্মাণ করা নতুন ঘর গুলো স্ব-স্ব ওই অসহায় পরিবারগুলো উঠতে শুরু করে। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া প্রতিটি ঘর দৈর্ঘ্য সাড়ে ১৫ ফুট, প্রস্থ সাড়ে ১৬ ফুট নির্মাণ করা এসব ঘরের মেঝে পাকা, সামনে খোলা বারান্দা আরসিসি পিলার, উন্নত টিনের বেড়ার ছাউনিতে ঘেরা। এর সঙ্গে একটু দূরে পয়ঃনিস্কাশনের স্যানিটারী ল্যাট্রিন।সরেজমিনে আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের দৃশ্য দেখতে উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের পালগিরি গ্রামের হতদরিদ্র মৃত সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী রিজিয়া খাতুন বলেন, আমি মানুষের ঘরে কাজ করে সংসার চালাই, আমার নিজের ভাঙ্গা এক রুমের একটা ঘর ছিল, বৃষ্টির দিনে এই ঘরে থাকতে খুব কষ্ট হত। সরকার আমাকে ঘর দেয়াতে আমি খুব খুশি। আল্লার কাছে শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করি।এদিকে মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের সমপুর গ্রামের প্রতিবন্ধী বিবি হাজেরা জানান, কখনো ভাবিনি সরকার আমাদের ঘর বানাইয়া দিবে। এই ঘরটা হওয়াতে খুব উপকার হইছে, থাকা নিয়ে আর চিন্তা করা লাগবেনা।

আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের ঘর নির্মাণের সদস্য সচিব ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ নোমান বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় উপকরণের (সিমেন্ট, ইট-বালু, রড, কাঠ, টিন) এর গুণগত শতভাগ মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করেছি।সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সোহেল পারভেজ বলেন, স্থানীয়দের সহযোগিতায় উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সার্বিক তদারকিতে সুষ্ঠুভাবে যারা ঘর পাওয়ার উপযুক্ত তাদেরই গৃহ নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। গরীব-অসহায় মানুষের কল্যাণ, উন্নয়ন ও পুনর্বাসনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/