• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০, ১০:২৮ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
নগদ অর্থ ও ঈদ উপহার সামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে ‘ছাত্রলীগ নেতা ও তার পরিবার’ নগদ অর্থ ও ঈদ উপহার সামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে ‘ছাত্রলীগ নেতা ও তার পরিবার’ করোনা দুর্যোগে বিপন্ন মানুষের জন্য কাজ করছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ নেতা এয়াকুব সায়িম ইমন। ঈদের পরের দিন বাজারে আসছে এ এইচ তুর্যের “জ্বলে পুঁড়ে অঙ্গার হইলাম” দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ওবায়দুল কাদের কেন্দ্রীয় যুবলীগের পক্ষে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরন! ৫’শত শাড়ী উপহার দিল শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দির ও শ্রীমা আনন্দময়ী আশ্রম পরিচালনা পরিষদ! রাতের আঁধারে “ঈদ উপহার” নিয়ে অসহায় মানুষরে ধারে ধারে ছাত্রলীগ নেতা আশরাফুল ইসলাম লিমন! কেন্দ্রীয় আওয়ামী নেতা নাদেলের সুস্থতা কামনায় শাবি’র ফিরোজের উদ্যোগে দোয়ার আয়োজন। দুস্থদের মুখে ঈদের হাসি ফোটালেন সাব্বির হোসেন

আবরার হত্যা: কারাগারে অনিককে পেটালেন কয়েদীরা

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৯

বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি মো. অনিক সরকার কারাগারে কয়েদি ও হাজতিদের তোপের মুখে পড়ে মারধরের শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শনিবার কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে এ ঘটনা ঘটেছে।

ভারতকে গ্যাস, পানি ও সমুদ্রবন্দর দেয়ার বিরোধিতা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে ৬ অক্টোবর আবরারকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রধান আসামি হলেন অনিক সরকার। সেদিন মদ্যপ অবস্থায় একাধিকবার আবরারকে পিটিয়েছিলেন তিনি।

কারাসূত্রে জানা গেছে, গণমাধ্যমে আবরার হত্যাকাণ্ড ফলাও করে প্রচার হওয়ায় এর খুঁটিনাটি জানতে পারেন কারাবন্দিরাও।

আবরারের মতো মেধাবী ছাত্রের এমন নির্মম মৃত্যু অন্য সব সাধারণ মানুষের মতো মেনে নিতে পারেননি কয়েদি ও হাজতিরা।

জানা গেছে, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিবি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল শনিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত এই আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে অনিক সরকারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

পরে সন্ধ্যার দিকে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয় অনিক সরকারকে। আনুষ্ঠনিকতা শেষে প্রধান ফটক দিয়ে কারাগারে প্রবেশ করেন তিনি।

এসময় ক্ষুব্ধ বন্দিদের তোপের মুখেন পড়েন অনিক। আবরার হত্যার আসামি অনিককে তারা মারধরও করেন। পরে কারারক্ষীরা তাকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়।

তবে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি কারা কর্তৃপক্ষ।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম বলেন, এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/