• সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ০১:১৪ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
গৃহহীন অসহায় মমতাজকে টিম হাসিমুখের ঘর উপহার! বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে যুবলীগের বিক্ষোভ দেশজুড়ে দৃষ্টিনন্দন ইসলামি ভাস্কর্য রামগঞ্জে দল্টা বাঙ্গালী ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের উদ্যোগে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পিং নকল আওয়ামী লীগের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে আসল আওয়ামীলী লীগ’ বসুরহাট পৌরসভার জনকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ আবদুল কাদের মির্জা ‘তুরস্কের আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে’ যুবলীগ সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি ভাস্কর্য বিরোধীতার আগে শিশু বলাৎকার বন্ধ করুন: ডা. জাফরুল্লাহ কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান ইমাম রাসেল’র জন্মদিন উদযাপন

লক্ষ্মীপুরে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো কেড়ে নিল শিশু মাহির প্রাণ!

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৯


আবদুল্লাহ নোমান:
ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো পার হতে গিয়ে নদীতে পড়ে মাহি আক্তার (৬) নামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত স্কুলছাত্রী মাহি আক্তার লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর চন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা সুমন হোসেন মেয়ে ও উত্তর চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।



বুধবার বিকালে সদর উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের উত্তর চন্দ্রপুর গ্রাম সংলগ্ন রহমতখালী নদী থেকে ওই ছাত্রীর মরদেহটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। এর আগে একই দিন সকালে বাঁশের সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।



স্থানীয়রা জানায়, বুধবার সকালে নানার বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য রওয়ানা হয় মাহি। এ সময় এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোটি পার হতে গিয়ে রহমতখালী নদীতে পড়ে যায় সে। এক পর্যায়ে পানির স্রোতে হারিয়ে যায় মাহি। এরপর খবর পেয়ে লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু তাদের সঙ্গে ডুবুরি দল না থাকায় উদ্ধার কাজ শুরু করতে পারেননি তারা।



পরে বিকেলে চাঁদপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের চারজনের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে। এরপর দীর্ঘ ৪৫ মিনিট খোঁজাখুঁজির পর সাঁকো থেকে প্রায় ৫’শ গজ দূরে ওই ছাত্রীর লাশের সন্ধান মেলে। লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. ওয়াসী আজাদ জানান, পানির প্রবল স্রোতে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় শিশু শিক্ষার্থী মাহি। এতে পানিতে ডুবেই তার মৃত্যু হয়।



খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসে কোনো ডুবুরি দল না থাকায় উদ্ধার কাজ করা যায়নি। পরে পার্শ্ববর্তী জেলা চাঁদপুর থেকে ডুবুরি দল এনে উদ্ধার কাজ চালাতে হয়েছে। দীর্ঘ ৪৫ মিনিট খোঁজাখুঁজির পর ডুবে যাওয়া ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের মাধ্যমে নিহতের মরদেহটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।



ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে স্থানীয় হাজিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামছুল আলম বাবুল পাটওয়ারী জানান, প্রায় তিন বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ওই সাঁকোটির স্থলে সেতু নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয় সরকার। কিন্তু ঠিকাদারের অনিয়ম আর অবহেলায় সেতুটির নির্মাণকাজ এখন পর্যন্ত শেষ হয়নি। প্রতিনিয়তই এ এলাকার কচিকাঁচা ছাত্র-ছাত্রীরাসহ হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকোটি ব্যবহার করছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার বলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।


নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/