• শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:১৬ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ বলায় সংগ্রাম অফিস ভাঙচুর করেছে ক্ষুব্ধ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফারমিন মৌলীর হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মুক্তিযুদ্ধের মানববন্ধন। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রকৃয়া একটা প্রতারণা-গাম্বিয়া! ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে টিউলিপসহ চার বাংলাদেশির জয় টানা তৃতীয়বারের মতো জয় পেলেন টিউলিপ সিদ্দিক। ফারমিন মালিকে শ্রদ্বা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মোমবাতি প্রজ্বলন। মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে ফারমিন মৌলীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের। নাইজারে সেনাঘাটিতে সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ৭০ মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর জন্মদিন আজ

মির্জা আব্বাসের মূল টার্গেট মতিঝিলের এ কে এম সাঈদ

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৯

মতিঝিলে জামাত বিএনপির মূল আতংক এ কে এম সাঈদ। বিভিন্ন সময় আন্দোলন সংগ্রাম করে সফল হতে পারে নি সাঈদের জন্য।মতিঝিলের আওয়ামী লীগের মূল শক্তি এই কর্মীবান্ধব এ কে এম মমিনুল সাঈদ কে ধ্বংস করার জন্য বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ মিডিয়া কে ব্যবহার করতো বিএনপি জামাত।বিএনপি জামাতের ঘাঁটিকে আওয়ামী লীগের দূর্গ হিসেবে রূপ দিয়েছেন সাঈদ।রাজনীতিক পরিবারের এই সাঈদের জন্ম মতিঝিলেই। সাঈদের দাদা ১৯২৯ সালে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।ন্যাশনাল মেডিকেল এন্ড নিওরো সাইন্স এমবিবিএস এর শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।সে সময় নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু ঢাকায় আসলে তার সাথে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে একাত্বতা প্রকাশ করেন এবং আন্দোলনে সক্রিয় থাকার দায়ে এমবিবিএস এর শেষ বর্ষের পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে দেয় নি কর্তৃপক্ষ! সাঈদের বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ১৯৭০ সালে বি:বাড়িয়া নবীনগর আঞ্চলিক ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ছিলেন।১৯৭৩ সালে বি:বাড়িয়া আঞ্চলিক আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। সাঈদের চাচা এ কে এম মোজাম্মেল হক বি:বাড়িয়া জেলা পরিষদের সদস্য। সাঈদের ভাই আনোয়ার পারভেজ তার নিজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। সাঈদ ১৯৯৬ সালে ৩২ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন পাশাপাশি বঙ্গভবন স্কুল কেন্দ্র ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। ২০০০ সালে ৩২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের আহবায়ক কমিটির ১নং যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন। ২০০২ সালে ৩ ফেব্রুয়ারী ৩২ নং ওয়ার্ড বর্তমান ৯নং ওয়ারেড় যুবলীগের কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত সভাপতি। ২০১২ সালের ১৪ই জুলাই মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পান। দীর্ঘ এই রাজনৈতিক চলার পথে সাঈদ সফলতার এবং দক্ষতার সাথে পাড়ি দিয়েছেন।জনগনের আস্থা অর্জন করে

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..