• সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ১২:৪৮ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
গৃহহীন অসহায় মমতাজকে টিম হাসিমুখের ঘর উপহার! বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে যুবলীগের বিক্ষোভ দেশজুড়ে দৃষ্টিনন্দন ইসলামি ভাস্কর্য রামগঞ্জে দল্টা বাঙ্গালী ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের উদ্যোগে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পিং নকল আওয়ামী লীগের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে আসল আওয়ামীলী লীগ’ বসুরহাট পৌরসভার জনকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ আবদুল কাদের মির্জা ‘তুরস্কের আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে’ যুবলীগ সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি ভাস্কর্য বিরোধীতার আগে শিশু বলাৎকার বন্ধ করুন: ডা. জাফরুল্লাহ কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান ইমাম রাসেল’র জন্মদিন উদযাপন

পদ্মা সেতুর টোলের হার নির্ধারণ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২০২১ সালের জুনে গাড়ি চলবে পদ্মা সেতু দিয়ে। নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এ সেতুর নির্মাণ খরচ পরিশোধ করবে সেতু বিভাগ। সেতু দিয়ে চলাচল করা যানবাহন থেকে নেওয়া টোলের টাকা হবে নির্মাণ খরচ পরিশোধের উৎস। এ জন্য এখন পদ্মা সেতুর টোলের হার নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে ২০২১-২২ অর্থবছর থেকে অর্থ বিভাগকে নির্মাণ খরচের টাকা পরিশোধ শুরু করবে সেতু বিভাগ। ৩৫ বছরের মধ্যে তা পরিশোধের কথা রয়েছে। সেতু বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘পদ্মা সেতুর টাকা ফেরতের জন্য সম্প্রতি অর্থ বিভাগের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।’

তাছাড়া ঋণের টাকা চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। কত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করবে তা চুক্তিতেই স্পষ্ট করা আছে। জানা গেছে, পদ্মা সেতু চালুর পর টোলের হার কী হবে এ নিয়ে প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে অর্থ বিভাগের সঙ্গে গত ২৯ আগস্ট সেতু কর্তৃপক্ষের চুক্তির পর বি’ষয়টি আরও গুরুত্ব পায়। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে সরকার। ১ শতাংশ সুদহারে সুদসহ ঋণ পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ।

এদিকে ঋণ পরিশোধের শিডিউল অনুযায়ী প্রতি অর্থবছরে প্রায় সর্বনিম্ন ৮২৬ কোটি থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। এই টাকা আদায় করা হবে টোলের মাধ্যমে।

সেতুর নির্মাণকাজ শেষে গাড়ি চলাচলের ১৫ বছর পর ১০ শতাংশ বা যৌক্তিক হারে টোল বাড়বে বলে অর্থ বিভাগের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত পদ্মা সেতুর মূল কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৮৩ শতাংশ। সেতুটি চালু হলে জিডিপি ১ দশমিক ২ শতাংশ বাড়বে বলে আশা করছে সরকার।

এদিকে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুটি চালু হলে ১০ মিনিটেই পদ্মা নদী পাড়ি দেওয়া সম্ভব বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে ফেরির মাধ্যমে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী ঘাট হয়ে পদ্মা পার হয় যানবাহন। এ জন্য সময় লাগে প্রায় আড়াই ঘণ্টা।

এদিকে প্রথমে আলোচনা ছিল ৪৫ বছরে সেতুর নির্মাণ খরচ পরিশোধ করা হবে। পরে ১০ বছর কমিয়ে ৩৫ বছর ধরা হয়। বার্ষিক যান চলাচলের গড় হিসাব পর্যালোচনা শেষে টোলের হার চিন্তা করা হচ্ছে।

জানা যায়, যানবাহনের শ্রেণিভেদে টোলের হার নির্ধারণ করা হবে। সূত্রমতে, পদ্মা সেতুতে একটি মোটরসাইকেল পাড়ি দিতে গুনতে হবে ১০৫ টাকা। আর কার, জিপের মতো হালকা যানবাহনের টোল হবে ৭৫০ টাকা। ছোট বাসের জন্য (২৯ আসন বা তার কম) ২০২৫ টাকা, বড় বাস (৩০ আসন বা তার বেশি) ২৩৭০ টাকা, ছোট ট্রাক (৫ টন বহন ক্ষমতা) ১৬২০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৫ থেকে ৮ টন) ২১০০ টাকা, বড় ট্রাক (৮ টনের বেশি বহন ক্ষমতা) ২৭৭৫ টাকা, মাইক্রোবাস ১২৯০ টাকা, ট্রেইলার ৪০০০ টাকা (৪ এক্সেল পর্যন্ত)। চার এক্সেলের বেশি ট্রেইলার হলে এক্সেলপ্রতি ১৫০০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ ধরা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/