• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
সালাউদ্দিন কে সরাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়! জনতার রাজনীতির এক যোদ্ধার নাম সম্রাট সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা জুয়েলকে যুক্তরাষ্ট্রস্থ কোম্পানীগঞ্জবাসীর সংবর্ধনা! ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড একটি জাতিগোষ্ঠী ও জাতিসত্তাকে গণহত্যার সামিল রামগঞ্জে ছাত্রলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত মুজিববর্ষ উপলক্ষে নোয়াখালীতে ছাত্রলীগের উদ্যোগ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২১ শে আগস্ট ও বিএনপির ঐতিহাসিক বিচারহীনতার চরিত্র কোম্পানীগঞ্জসহ আরও ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের স্থান চূড়ান্ত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: কী ঘটেছিল সেই দিন বঙ্গবন্ধু বিশ্বের মুক্তিকামী সকল মানুষের রাজনৈতিক আদর্শ

কলেজের সমস্যা নিরসনে ১১ দফা দাবী পেশ করলো তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯


ক্যাম্পাস প্রতিনিধিঃ সরকারি তিতুমীর কলেজের সার্বিক সমস্যা নিরসনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবী পেশ করেছেন কলেজ ছাত্রলীগ। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) দুপুরে সরকারি তিতুমীর কলেজে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উপ শিক্ষামন্ত্রী ব্যরিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এর কাছে এ দাবী গুলো পেশ করেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মো.রিপন মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক জুয়েল মোড়ল।
দাবী গুলো হলোঃ
১.বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতি হিসেবে কলেজ ক্যাম্পাসে একটি দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য চাই।
২. শিক্ষার্থীদের জন্য দুইটি বাস চাই।
৩. ছাত্রছাত্রী অনুপাতে পর্যাপ্ত বাস চাই।
৪.আবাসিক হল গুলোতে রিডিংরুম চাই।
৫.সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের জন্য কলেজ ক্যাম্পাসে একটি ক্যান্টিন চাই।
৬. প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হোক।
৭.আধুনিক উন্নতমানের লাইব্রেরী চাই।
৮.একটি সু-সজ্জিত কম্পিউটার ল্যাব চাই।
৯.নব নির্মিত ছাত্রাবাসটি বঙ্গবন্ধুর নামে চাই।
১০.নতুন ছাত্রী নিবাসটি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর নামকরণ চাই ।
১১. আবাসিক হলগুলোতে ইন্টারনেট চালু চাই।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, শুধু শোকের মাসে আলোচনা সভায় সিমাবদ্ধ না থেকে বঙ্গবন্ধু যেভাবে চরিত্র গঠন,প্রশিক্ষিত, মানুষের প্রয়োজনে মাঠে ঘাটে নামতে বলেছেন সেভাবে নতুন প্রজন্মকে কাজ করে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড দিলে দক্ষতা অর্জন করা যায় না। ইন্টারনেটের দুনিয়ায়। সকল বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। শোককে শক্তিতে পরিনত করা মানেই হচ্ছে নিজেকে দক্ষ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজে লাগা। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হলে সকলকে দক্ষ জনশক্তিতে রুপান্তরিত হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সাত কলেজ নিয়ে যে প্রশাসনিক সমস্যা চলছে তা অবশ্যই নিরসন হবে। এ নিয়ে নিরাস না হওয়ার আহবান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, সঠিক শিক্ষা, উন্নতমানের শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণের জন্য সাত কলেজ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সাথে আমাদের বৈঠক হয়েছে। আমরা অনেকটা সমাধানের পথে আছি। নাম করা বিশ্ববিদ্যালয় বা মানের দিক দিয়ে কোন শিক্ষার্থী যাতে বৈষম্যের স্বীকার না হয় আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। তাই এ নিয়ে হতাশ না হয়ে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে।
সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আশরাফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আকবর হোসেন পাঠান( ফারুক)।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোঃ সোহরাব হোসেন, সরকারি তিতুমীর কলেজের উপাধ্যক্ষ ড.মোসাঃ আবেদা সুলতানা,শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর মালেকা আক্তার বানু,অনুষ্ঠানের আহবায়ক পদার্থ বিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড.রমা বিজয় সরকার।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কাজী মিরাজুল ইসলাম ডলার,সাধারন সম্পাদক মানিক হোসেন,বর্তমান সভাপতি মো.রিপন মিয়া,সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক জুয়েল মোড়ল প্রমুখ
স্বাধীনতা যুদ্ধের বর্ননা দিয়ে ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) বলেন, হোসেন শহিদ সরওয়ার্দীকে যখন পাকিস্তানিরা দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করেছিলো তখন শেখ মুজিবুর রহমানই এদেশকে পরিশ্রম করে গুছিয়ে রেখেছিলেন। নেতাজী শুভাষ চন্দ্র বসুর সাথে তুলনা করে বলেন, শুভাস চন্দ্র বলেছিলো “তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দিবো। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বলেছেন ” রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেবো”। এতেই বুঝা যায় বঙ্গবন্ধু ৩০ লক্ষ শহিদের রক্তকে নিজের রক্ত মনে করতেন, ৭ কোটি প্রানের আত্মাকে নিজের আত্মা মনে করতেন। বঙ্গবন্ধুর কনফিডেন্স ছিলো বলেই আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। বঙ্গবন্ধুকে নিয়েআলোচনা করতে কোন মাস বা দিন লাগে না। প্রতিদিনই তাকে নিয়ে আলোচনা করা যায়। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বীজ তরুণদের মধ্যে বুনে দিতে হবে। এসময় তিনি ১৫ই আগস্টের নানা ঘটনার কথা তুলে ধরেন শিক্ষার্থীদের মাঝে।
অনুষ্ঠান শেষে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ রচনা ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/