• সোমবার, ২৫ মে ২০২০, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
নগদ অর্থ ও ঈদ উপহার সামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে ‘ছাত্রলীগ নেতা ও তার পরিবার’ নগদ অর্থ ও ঈদ উপহার সামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে ‘ছাত্রলীগ নেতা ও তার পরিবার’ করোনা দুর্যোগে বিপন্ন মানুষের জন্য কাজ করছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ নেতা এয়াকুব সায়িম ইমন। ঈদের পরের দিন বাজারে আসছে এ এইচ তুর্যের “জ্বলে পুঁড়ে অঙ্গার হইলাম” দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ওবায়দুল কাদের কেন্দ্রীয় যুবলীগের পক্ষে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরন! ৫’শত শাড়ী উপহার দিল শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দির ও শ্রীমা আনন্দময়ী আশ্রম পরিচালনা পরিষদ! রাতের আঁধারে “ঈদ উপহার” নিয়ে অসহায় মানুষরে ধারে ধারে ছাত্রলীগ নেতা আশরাফুল ইসলাম লিমন! কেন্দ্রীয় আওয়ামী নেতা নাদেলের সুস্থতা কামনায় শাবি’র ফিরোজের উদ্যোগে দোয়ার আয়োজন। দুস্থদের মুখে ঈদের হাসি ফোটালেন সাব্বির হোসেন
Uncategorized, অপরাধ, অপরাধ, অ্যাথলেটিক্স, আইন ও বিচার, আন্তর্জাতিক, আফ্রিকা, আমার ডাক্তার, আমেরিকা, আরব বিশ্ব, এক্সক্লুসিভ, এশিয়া, কক্সবাজার, কিশোরগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, কুমিল্লা, কুমিল্লা বিভাগ, কুষ্টিয়া, ক্রিকেট, খাগড়াছড়ি, খাবারদাবার, খুলনা বিভাগ, খেলা, গাইবান্ধা, গাজীপুর, গৃহসজ্জা, গোপালগঞ্জ, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম বিভাগ, চাঁদপুর, জনসংখ্যা, জীবনযাপন, জেলার খবর, টেনিস, ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, দিনাজপুর, দুর্ঘটনা, পরামর্শ, পরিবেশ, পাকিস্তান, পিরোজপুর, পেশা, পোশাক শিল্প, ফরিদপুর, ফুটবল, ফ্যাশন, বরিশাল বিভাগ, বাংলাদেশ, বাজেট, বাণিজ্য সংবাদ, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, বিদেশের খবর, বিবিধ, বিশ্লেষণ, বেড়ানো, ভারত, মানবসম্পদ, ময়মনসিংহ বিভাগ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রংপুর বিভাগ, রাজধানী, রাজনীতি, রাজশাহী, রাজশাহী বিভাগ, রাশিফল, রূপচর্চা, লালমনিরহাট, লিড নিউজ, শিক্ষাঙ্গন, শেয়ারবাজার, সংগীত, সংসদ, সম্পাদকীয়, সরকার, সারাদেশ, সিলেট বিভাগ, স্টাইল, স্বাস্থ্য, স্লাইডার, হলিউড

রাজধানীর ফার্মগেটে গণপরিবহনে স্কুল ছাত্রীর শালীনতা হানির চেষ্টা… যুবক কে গণ ধোলাই

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৮

অনেক অনেক “শিক্ষিত” এবং “সভ্য” মানুষ প্রশ্ন তুলছেন ভিডিওটির ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে। সে কারণে এই লেখাটুকু এড করতে বাধ্য হওয়া৷ কারণ আমি না কল্পনাও করিনি এই ভিডিও এর কাহিনীটাও আমার বর্ণনা করতে হবে, Because the video itself says all. আমি সঠিক জানিনা পাবলিক ট্রান্সপোর্টে এত এত সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট, ধর্ষণ, এমনকি ধর্ষণের পর খুন হবার পর ও মানুষ কিভাবে মেয়েটার দিকে আংগুল তোলে। বলি তাদের ঘরের মেয়েরা কি পাবলিক বাসে চলেন না, তাদের কি এরকম পরিস্থিতি হয় না? আমাদের দেশটা তো সুপুরুষে ভরা, এদেশে ধর্ষণ হলে ভিকটিমের চারিত্রিক সার্টিফিকেট এই সুপুরুষদের কাছে সত্যায়িত করতে দিতে হয় এবং যেহেতু এসব সুপুরুষদের কাছে ধর্ষণ বা যৌনহয়রানির একমাত্র সমাধান – “Kanke mage hegab koe”, সেহেতু আমি মূল ঘটনাটি তুলে ধরছি।

ঘটনাটি ঘটে আজ সকাল ঠিক ১০টার দিকে দিশারী বাসে – শ্যামলী থেকে লক্ষ্য করছিলাম আমার থেকে দুই সিট সামনের কলেজ ড্রেস পড়া মেয়েটা রাগান্বিত ভাবে বার বার পেছন ফিরে আমার সামনের লোকটাকে কিছু বলছে, একবার শুনলাম “হাত সরান”। আমি মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করলাম কোন প্রবলেম কিনা, সে জানালো পরে বলবে। তারপর বাস ফার্মগেটে তার কলেজের সামনে আসার পর মেয়েটা ঘুরে লোকটাকে ধমকানো শুরু করলো, তখন তার কথায় বোঝা গেল যে লোকটা নাকি ৫/৬ বার সিটের ফাঁকা গলে তার গায়ে হাত দেবার চেষ্টা করেছে। সে এতক্ষণ অপেক্ষা করছিল তার কলেজের এরিয়াতে আসার, তারপর সে রিয়েক্ট করেছে। লোকটা সর‍্যি বলা শুরু করলো। বাসের পাবলিক যথারীতি “ছেড়ে দাও মা”, “সর‍্যি বলসে তো” বলে তাদের ট্রাডিশনাল ঘ্যান ঘ্যান শুরু করে দিল। তখন বাসে আমি মেয়েটার হয়ে প্রতিবাদ করলাম এবং তাদেরকে বললাম মেয়েটা যা করছে তাকে করতে দেন। আমার সাথে আরো কিছু আংকেলের বয়সী লোক তাল মেলালেন , “হ্যা সর‍্যি বললেই তো হবে না, বাস থেকে নামেন।” তারপর মেয়েটা কাউকে তোয়াক্কা না করে লোকটাকে মারতে লাগল, এবং সাথে সাথে পুরো বাস ঠান্ডা। তারপর দেখলাম সবাই বেশ মেয়েটার পক্ষে কথা বলছে আর লোকটাকেও চড় থাপ্পড় দিচ্ছে। বলতেই হবে শুরুতে দুর্বলচিত্তের কিছু লোক বাঁধা দিলেও আসলে বাস ভর্তি “মানুষ” ছিল, ওই জানোয়ারটার মত পটেনশিয়াল রেপিস্ট ছিল না। আর লোকটা দুর্বল গলায় একটা কথাই বলছিল, “আপু আপনি আমাকে বলতে পারতেন আমি হাত সরাই নিতাম।” এ কথা বলার পর মাইর আরো কয়টা বেশি খাইসে সে। তারপর আবার এটাও বলার ট্রাই করেছে যে সে নাকি ঘুমিয়ে ছিল, কই হাত গেসে টের পায়নি যে ভিডিওতেও আপনারা দেখছেন না শুনতে পাচ্ছেন। এবং তাকে বাস থেকে নামিয়ে দেবার সে ফার্মগেটের ফুটপাতে যে আমড়া ওয়ালা থাকে সেখানে গিয়ে আমড়া খেতে শুরু করলো, এত বড় পাবলিক শেইম, পাবলিকের মাইর খেয়ে বাস থেকে ঘার ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেওয়া এসব যেন কিছুই ঘটেনি। সে নির্দোষ হয়ে থাকলে এত স্বাভাবিকভাবে নিতে পারতো কি পুরো ঘটনার পর? নির্বিকার ভাবে আমড়া চিবুতে পারতো? এই দৃশ্য দেখে বাসের লোকটাকে ড্রাগ এডিক্ট বলে মন্তব্য করছিল। যারা লোকটাকে ইনোসেন্ট ভাবছেন তাদের কাছে প্রশ্ন, এই পার্ভার্টটা তো আপনার বোনের গায়েও হাত দিতে পারত। আপনি পারতেন আপনার বোনের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলতে? পারতেন ওই বিকৃত মস্তিষ্কের লোকের হয়ে বিনা স্যালারিতে সাফাই গাইতে?

Today at Farmgate. অনেক অনেক "শিক্ষিত" এবং "সভ্য" মানুষ প্রশ্ন তুলছেন ভিডিওটির ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে। সে কারণে এই লেখাটুকু এড করতে বাধ্য হওয়া৷ কারণ আমি না কল্পনাও করিনি এই ভিডিও এর কাহিনীটাও আমার বর্ণনা করতে হবে, Because the video itself says it all. আমি সঠিক জানিনা পাবলিক ট্রান্সপোর্টে এত এত সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট, ধর্ষণ, এমনকি ধর্ষণের পর খুন হবার পর ও মানুষ কিভাবে মেয়েটার দিকে আংগুল তোলে। বলি তাদের ঘরের মেয়েরা কি পাবলিক বাসে চলেন না, তাদের কি এরকম পরিস্থিতি হয় না? আমাদের দেশটা তো সুপুরুষে ভরা, এদেশে ধর্ষণ হলে ভিকটিমের চারিত্রিক সার্টিফিকেট এই সুপুরুষদের কাছে সত্যায়িত করতে দিতে হয় এবং যেহেতু এসব সুপুরুষদের কাছে ধর্ষণ বা যৌনহয়রানির একমাত্র সমাধান – "Kanke mage hegab koe", সেহেতু আমি মূল ঘটনাটি তুলে ধরছি।ঘটনাটি ঘটে আজ সকাল ঠিক ১০টার দিকে দিশারী বাসে – শ্যামলী থেকে লক্ষ্য করছিলাম আমার থেকে দুই সিট সামনের কলেজ ড্রেস পড়া মেয়েটা রাগান্বিত ভাবে বার বার পেছন ফিরে আমার সামনের লোকটাকে কিছু বলছে, একবার শুনলাম "হাত সরান"। আমি মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করলাম কোন প্রবলেম কিনা, সে জানালো পরে বলবে। তারপর বাস ফার্মগেটে তার কলেজের সামনে আসার পর মেয়েটা ঘুরে লোকটাকে ধমকানো শুরু করলো, তখন তার কথায় বোঝা গেল যে লোকটা নাকি ৫/৬ বার সিটের ফাঁকা গলে তার গায়ে হাত দেবার চেষ্টা করেছে। সে এতক্ষণ অপেক্ষা করছিল তার কলেজের এরিয়াতে আসার, তারপর সে রিয়েক্ট করেছে। লোকটা সর‍্যি বলা শুরু করলো। বাসের পাবলিক যথারীতি "ছেড়ে দাও মা", "সর‍্যি বলসে তো" বলে তাদের ট্রাডিশনাল ঘ্যান ঘ্যান শুরু করে দিল। তখন বাসে আমি মেয়েটার হয়ে প্রতিবাদ করলাম এবং তাদেরকে বললাম মেয়েটা যা করছে তাকে করতে দেন। আমার সাথে আরো কিছু আংকেলের বয়সী লোক তাল মেলালেন , "হ্যা সর‍্যি বললেই তো হবে না, বাস থেকে নামেন।" তারপর মেয়েটা কাউকে তোয়াক্কা না করে লোকটাকে মারতে লাগল, এবং সাথে সাথে পুরো বাস ঠান্ডা। তারপর দেখলাম সবাই বেশ মেয়েটার পক্ষে কথা বলছে আর লোকটাকেও চড় থাপ্পড় দিচ্ছে। বলতেই হবে শুরুতে দুর্বলচিত্তের কিছু লোক বাঁধা দিলেও আসলে বাস ভর্তি "মানুষ" ছিল, ওই জানোয়ারটার মত পটেনশিয়াল রেপিস্ট ছিল না। আর লোকটা দুর্বল গলায় একটা কথাই বলছিল, "আপু আপনি আমাকে বলতে পারতেন আমি হাত সরাই নিতাম।" এ কথা বলার পর মাইর আরো কয়টা বেশি খাইসে সে। তারপর আবার এটাও বলার ট্রাই করেছে যে সে নাকি ঘুমিয়ে ছিল, কই হাত গেসে টের পায়নি যে ভিডিওতেও আপনারা দেখছেন না শুনতে পাচ্ছেন। এবং তাকে বাস থেকে নামিয়ে দেবার সে ফার্মগেটের ফুটপাতে যে আমড়া ওয়ালা থাকে সেখানে গিয়ে আমড়া খেতে শুরু করলো, এত বড় পাবলিক শেইম, পাবলিকের মাইর খেয়ে বাস থেকে ঘার ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেওয়া এসব যেন কিছুই ঘটেনি। সে নির্দোষ হয়ে থাকলে এত স্বাভাবিকভাবে নিতে পারতো কি পুরো ঘটনার পর? নির্বিকার ভাবে আমড়া চিবুতে পারতো? এই দৃশ্য দেখে বাসের লোকটাকে ড্রাগ এডিক্ট বলে মন্তব্য করছিল। যারা লোকটাকে ইনোসেন্ট ভাবছেন তাদের কাছে প্রশ্ন, এই পার্ভার্টটা তো আপনার বোনের গায়েও হাত দিতে পারত। আপনি পারতেন আপনার বোনের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলতে? পারতেন ওই বিকৃত মস্তিষ্কের লোকের হয়ে বিনা স্যালারিতে সাফাই গাইতে?Let there be light. এবং সুপ্রভাত।

Posted by জেবা সাজিদা মৌ on Wednesday, October 10, 2018

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/