• বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০৮:০১ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
চালকদের মুখে পোড়া মোবিল মেখে দিচ্ছে অবরোধ কারীরা! নোয়াখালী আ’লীগের কমিটি ঘোষনা:সভাপতি খাইরুল আলাম,সম্পাদক একরামুল! কহিনূর হুদা নুরানী মাদ্রাসার ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের নুরানী শিক্ষা ও নামাজ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত! লবণের দাম বেশি চাইলে ইউএনও ‘কে জানান-ডিসি নোয়াখালী। পেঁয়াজের পর লবণ নিয়ে লঙ্কাকান্ড! দক্ষিন আফ্রিকায় নিগ্রো সন্ত্রাসীদের গুলিতে সোনাগাজীর যুবক নিহত! সিলেটে পেঁয়াজ আছে ক্রেতা নেই, দামে ধ্বস ভেড়ামারায় বিষ প্রয়োগে জমির পেঁয়াজ নষ্ট করেছে দুর্বৃত্তরা! বিশ্বের সেরা অর্থবহ পতাকার শীর্ষ তালিকায় বাংলাদেশের ‘লাল-সবুজ’ পতাকা নোয়াখালীতে বাসচাপায় তিন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

ফেসবুকে ‘বুড়ো’ হওয়ার ট্রেন্ড: FaceApp ব্যবহার কতটুকু নিরাপদ?

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯

ফেসবুকে ট্রেন্ড চলছে এখন ‌‘বুড়ো হওয়ার’! নিউজ ফিডে ঢুকলেই দেখা যাচ্ছে কারো না কারো ‘বুড়ো ছবি’। প্রথমে অনেকে অবাক হচ্ছিলেন। পরিচিত ২৫ বছরের ছেলে কিম্বা মেয়েটিকে হঠাৎ করে ৬০ বছরের বুড়ো দেখাচ্ছে কেন!

কিন্তু গত কয়েকদিনে এখন আর এটি ‘অবাক করা ব্যাপার’ থাকেনি। বরং ‘মজার বিষয়’ হিসেবে অনেকেই নিজেদের ছবিকে ‘বুড়ো’ বানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করছেন। কেউ কেউ আবার নিজের ছবি বাদ দিয়ে পছন্দের কোনো তারকা বা ব্যক্তির ছবিকে ‘বুড়ো’ বানাচ্ছেন।

শুধু বাংলাদেশ নয়, গত কয়েকদিন ধরে আরব বিশ্ব সহ বিশ্বের বিভিন্ন এলাকায় এই বুড়ো হওয়ার তোড়জোড় চলছে।

মূলত ফেইস অ্যাপ নামের একটি অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে চেহারার এই পরিবর্তন সম্ভব। শুধু যে বুড়ো বানানো তা নয়। তরুণরা বুড়ো হতে পারবেন, বুড়োরা হতে পারবেন তরুণ! নারীর চেহারাকে চাইলে পুরুষ বানানো যায়, মূল চেহারা প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো অক্ষুন্ন রেখেই। এতে অনেকে যাচাই করে নিচ্ছেন বিপরীত লিঙ্গের মানুষ হলে তাকে কেমন দেখাতো!

ফেসবুকে ফেসঅ্যাপ ব্যবহার করে ভিন্ন রকম চোহারার ছবি পোস্ট করার বিষয়টি অবশ্য নতুন নয়। ২০১৭ সালেই এ অ্যাপ বিভিন্ন ফিল্টারের কারণে ভাইরাল হয়েছিল।

নিউরাল ফেস ট্রান্সফরমেশনস অ্যাপ হিসেবে এটি তৈরি করে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ওয়্যারলেস ল্যাব। আগে অল্ড ফিল্ডার ছিল না। সম্প্রতি নতুন ফিল্টার যুক্ত হয়েছে ‘ওল্ড ফিল্টার’।

তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, এ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার আসলে খুব নিরাপদ নয়। এর মাধ্যমেব্যক্তিগত গোপনীয়তা হুমকির মধ্যে পড়তে পারে। বিশেষ করে আপনার ছবি অ্যাপের মাধ্যমে ভুল ব্যক্তি বা গোষ্ঠির হাতে পড়ার শঙ্কা আছে। এতে নানান ধরনের নিরাপত্তা হুমকি তৈরি হয়। কারণ ছবিগুলো কারো না কারো কাছে আর্কাইভ হয়ে যাচ্ছে। অথচ ব্যবহারকারী আর্কাইভকারীদের সম্পর্কে কিছুই জানেন না।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে অ্যাপটি ডাউনলোডের সময় ইন-অ্যাপ পারচেজ, ফটো ও মিডিয়া ফাইল, ডিভাইস স্টোরেজ ও মাই ক্যামেরা অপশনের অনুমতি দিতে হয়। এ ছাড়া আরও ইন্টারনেট ডেটা গ্রহণ, নেটওয়ার্ক কানেকশন দেখা, পূর্ণ নেটওয়ার্ক সংযোগ, ফোন স্লিপিং মোডে যাওয়ার ঠেকানোর অনুমতি দিতে হয়। এই সুযোগে আপনার ডিভাইস থেকে অনেক তথ্য বেহাত হয়ে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। বিশেষ করে এভাবে ব্যাংক একাউন্ট, মাস্টারকার্ড, ইমেইল ইত্যাদির পাসওয়ার্ড চুরির বহু বড় বড় উদাহরণ রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..