• শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
৩৩ মাস পর শান্তির বার্তা নিয়ে কোম্পানীগঞ্জে ওবায়দুল কাদের। ‘তেঁতুলতলায় নয়, থানার জন্য বিকল্প জায়গা খোঁজার নির্দেশ  ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণ, স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু আইসিইউতে সন্তান কোম্পানীগঞ্জে সেতুমন্ত্রীর সুস্থ্যতা কামনায় ইফতার ও মিলাদ মাহফিল ইমাম পরিবর্তন নিয়ে মসজিদে সংঘর্ষ, আহত ১৫  নোয়াখালীতে পাওয়ার টিলার খাদে পড়ে, চালকসহ নিহত ৩ পুলিশের দেয়া ঘর পেয়ে খুশিতে আত্মহারা নূর জাহান ক্যান্সার আক্রান্ত রাজুকে প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের লক্ষ টাকা অনুদান পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দনবার্তা বাংলা কলেজের সাংবাদিকের ওপর হামলা

কেউ যেন নেই, কি যেন হারিয়ে ফেলেছি

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

“কেউ যেন নেই, কিছু যেন হারিয়ে ফেলেছি”।
‘সাগর আছে, সৈকত নেই’, ‘ঝিনুক আছে মুক্তো নেই’, ‘বাংলা আছে, মুজিব নেই’।

কথা গুলো লিখেছেন সাবেক ছাত্রনেতা, বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক এবং গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জননেতা জনাব ওবায়দুল কাদের এম পি মহোদয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব-পরিবারে হত্যা করার পর তৎকালীন সেনা সমর্থিত শাসক গোষ্ঠী যখন সারা দেশে আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের উপর গুম, খুন, গ্রেফতার, হামলা, মামলা, নির্যাতন, নিপিড়ন চালাচ্ছিল। সেই সময়ের মেধাবী ছাত্রনেতা জনাব ওবায়দুল কাদেরকেও তৎকালীন স্বৈরশাসক গ্রেফতার করে একটানা প্রায় আড়াই বছর করাগারে বন্দী রাখেন। এক পর্যায়ে জনাব ওবায়দুল কাদেরকে তখন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ফরিদপুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। তখন ফেরী’তে বসেই আলোচিত এবং ঐতিহাসিক এই কবিতাটি লিখেছেন জনাব ওবায়দুল কাদের। যা পরবর্তীতে বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকাগুলোতেও ছাপা হয়েছে এবং বেশ সমাদৃত হয়েছে।

ইদানিং কেন যানি জনাব ওবায়দুল কাদের সাহেবের লিখা কবিতার সেই কথাগুলো বার বার মনে পড়ে। আমাদের প্রাণপ্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আজ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। আমাদের প্রিয় নেতা ওবায়দুল কাদের আজ একাধারে এই দলের সাধারণ সম্পাদক, সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যাক্তি।

অথচ আমাদের নেতার নিজ এলাকা নোয়াখালী আওয়ামী লীগ এর কমিটি আজ দুই বছরের মতো জুলে আছে। উনার জন্মস্থান কোম্পানীগঞ্জ এর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা আজ ভালো নেই। তারা আজ অসহায়, অভিভাবকহীন এবং নিরাপত্তাহীন। তাদের মনে কোন শান্তিত নেই, নেই স্বস্তিও। তারা হামলা, মামলা, নির্যাতন, নিপিড়নে আজ দিশেহারা। অনেক নেতাকর্মী আজ ঘর বাড়ী ছাড়া হয়ে দূর্বিষহ জীবন অতিবাহিত করছে। এইক্ষেত্রে আমাদের প্রিয় অভিভাবক এবং প্রিয় নেতার দৃশ্যমান এবং কার্যকর কোন কর্ম তৎপরতা আমরা লক্ষ করছিনা।

এখানকার মানুষ বলেন আমাদের সবই আছে- রাস্তা, ঘাট, পুল, কার্লবার্ট, গ্যাস, বিদ্যুৎ, স্কুল, কলেজ, হসপিটাল, ঘর, বাড়ী, খাদ্য দ্রব্যসহ সব। কি নেই আমাদের? তবুও কি যেন নেই!!! সত্যিই তো, আমাদের তো সবই আছে, সবই ছিলো। তবুও আজ কেন আমরা এতটা অসহায়? এতটা অভিভাবকহীন? তাহলে কি আমাদের কেউ নেই?ত তবে কি আমরা কিছু হারিয়ে ফেলেছি? যা কিছু দিন পূর্বেও ছিলো!!

প্রিয় অভিভাবক, আপনার প্রতি পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা, সম্মান এবং আস্থা রেখেই বলছি- সকল মান অভিমান, নিরবতা ভেঙ্গে আমাদের দিকেএকটু সু দৃষ্টি দিন, একটু স্বস্তি দিন, একটু শান্তি দিন। প্রিয় নেতা আপনি পারবেন, আপনি-ই পারবেন, আপনাকেই পারতে হবে। আপনার জীবন যৌবনের সবটকু যে দলটির জন্য ব্যায় করেছেন, সেই দলটি আজ অপূরনীয় ক্ষতির দ্বার প্রান্তে ।

আর তাই আপনার কর্মী সমর্থকরা হতাশ হয়ে বলতে শুরু করেছে- আমাদের সবই ছিল, সবই আছে তবুও…

” কেউ যেন নেই, কিছু যেন হারিয়ে ফেলেছি” আমরা।

………..অ্যাডভোকেট শাহিদুর রহমান তুহিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/