• বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৮:১০ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
নড়াইলের চৈতী রানী বিশ্বাস কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য নোয়াখালীতে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা জুয়েল সংবর্ধিত! রামগঞ্জে ভাটরা ইউনিয়ন শ্রমিকলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের কমিটি অনুমোদন রামগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মনির হোসেন রানার মতবিনিময় সভা বঙ্গবন্ধু পরিবারের প্রভাবশালী ছয় সদস্য যুবলীগে রামগঞ্জে পৌর ০২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী খালেদ পাটওয়ারী বাদশার মতবিনিময় সভা পরশ নিখিলের নেতৃত্বে ‘ক্যাসিনোমুক্ত’ যুবলীগের নবযাত্রা রামগঞ্জে পৌর ০৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মেহেদী হাসান শুভর মতবিনিময় সভা বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি কাতারের গুরুত্বপূর্ণ পদে রামগঞ্জের ভাবলু ও সবুজ নির্বাচিত করোনায় আক্রান্ত আসিফ নজরুল

নির্বাচন পরিচালনা ও পর্যবেক্ষন সমন্বয় উপ-কমিটির সদস্য নির্বাচিত নুরুল করিম জুয়েল।

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৮
নির্বাচন পরিচালনা ও পর্যবেক্ষন সমন্বয় উপ-কমিটির সদস্য নির্বাচিত নুরুল করিম জুয়েল।
নির্বাচন পরিচালনা ও পর্যবেক্ষন সমন্বয় উপ-কমিটির সদস্য নির্বাচিত নুরুল করিম জুয়েল।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ সমন্বয় উপ-কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সহ-সভাপতি নুরুল করিম জুয়েল। রাজনৈতিক জীবনে ২০০৮ জাতীয় নির্বাচনে ওবায়দুল কাদেরের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

এরপর ২০০৯ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিনের ক্ষেত্রে সক্রিয় ও গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখে। এরপর ২০১০ সালে বসুরহাট পৌরসভার নির্বাচনে আব্দুল কাদের মির্জার মির্জার হয়ে সক্রিয় ভুমিকা রাখেন। ২০১১ সালে তার বাবা মোহাম্মদ নুরুল হুদা ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হলে ভুমিকা রাখেন। প্রতিপক্ষ আওয়ামীলীগ কে হারাতে সেসময়ে রাতের আধারে এ পরিশ্রমী নেতার পরিবারের ও তার উপর ঘৃনীত আঘাত করে। সেসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ২৩ দিন হাসপাতালে ছিলেন।

২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মিজানুর রহমান বাদলের হয়ে মাঠে, ঘাটে প্রান্তরে ছুটে গেছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে এ পরিশ্রমী নেতা। এরপর ২০১৫ সালে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র নির্বাচনে আবদুল কাদের মির্জা ২য় বারের মত দলীয় প্রার্থী হলে মূখ্য ভুমিকা রাখে। অন্যদিকে ২০১৬ ইউপি নির্বাচনে ২য় বারের মতো তার বাবা দলীয় প্রার্থী হলে নৌকার বিজয়ে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখে। এছাড়াও নোয়াখালী পৌরসভা মেয়র নির্বাচন সহ বিগত জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

বর্তমানে আগামী জাতীয় নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্র নেতা। তৃনমুল থেকে উঠে আসা এ ছাত্ররাজনীতিবিদের রাজনীতির শুরুর পেক্ষাপটের দিকে একটু ফিরে তাকালে জানা যায়, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী খালেদা জিয়ার প্রহসনের নির্বাচনের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। তখন তিনি ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র।তার বাবা ছিলেন ওয়ার্ড় আওয়ামীলীগ নেতা। তার গৃহ শিক্ষক ছিলেন একজন ছাত্রনেতা। জানা যায়, বাবা ও গৃহ শিক্ষকের নিকট বঙ্গবন্ধুর দলের কথা শুনতে থাকেন এবং ছাত্রলীগ করার জন্য আগ্রহ সৃষ্টি হয় তার মাঝে। তারপর তখন কেন্দ্রের নির্দেশে এলাকায় আওয়ামীলীগের আন্দোলন শুরু হয়। তখন জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে রাজপথ প্রকোম্পিত হয়।

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী প্রহসনের নির্বাচন বিরোধী ছোট ছোট ছেলেরা মিছিল করে।সে মিছিলের নেতৃত্ব প্রদান করেন এ তুখোড় ছাত্রনেতা। সেই থেকে রাজনীতি করা শুরু করেন। তারপর তত্বাবধায়ক সরকার আমলে নির্বাচন হলে ওবায়দুল কাদের এমপির নির্বাচনী সভায় স্কুল পালিয়েও চলে যেতেন। এরপর ক্ষমতা গ্রহন করলো আওয়ামীলীগ সরকার। তারপর তার বাবা ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়।

১৯৯৭ সালে তখন তিনি হাই স্কুলের ছাত্র। তখন ছাত্রলীগ স্কুল কমিটি করা হয়, ঐ কমিটিতে ছাত্রলীগে দায়িত্ব পান।এরপরের বছর কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক দায়িত্ব দেওয়া হয়। নেতৃত্ব দেয়ার পর ২০০৩ সালে চরহাজারী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।

এরপর ২০০৫ সালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য নির্বাচিত হয়ে ছাত্রলীগ কে নেতৃত্ব দেন। ২০০৬-২০০৭ তেজগাঁও কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য এবং ‘২১শে আগষ্ট বাংলাদেশ’ সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হন।
এর পরেও থেমে থাকেননি চলে যেতেন তখন নিয়মিত পল্টন ময়দানে। তখন কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতা লিয়াকত- বাবুর কমিটির সময় কেন্দ্রীয় রাজনীতি করার উৎসাহ পান। ২০১১ সালে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি সহ-সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ২০১৫ সালে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে তৃণমুল থেকে উঠে আসা এ তুখোড় ছাত্রনেতার বিষয়ে উপজেলার কয়েকজন সিনিয়র আওয়ামীলীগ নেতার সাথে কথা বললে জানা যায়, ২০০১ সালের ১ অক্টোবর নির্বাচনের পর ৬ অক্টোবর ছাত্রলীগ করার কারণে তাকে প্রচন্ড মারধর করা হয়। নানান ধরনের মির্থ্যে অভিযোগ দেয়া হয় থানায় তখন। তখন ওবায়দুল কাদের আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় রাতে পোষ্টার লাগানোর অপরাদে পরের দিন তাকে বাড়ী থেকে উঠিয়ে এনে বেদম মারদর করা হয়। এই ভাবে তার রাজনীতির পথচলা চলা।

ডিজিটাল বাংলাদেশ কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও প্রিয় নেতা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আমার উপর যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা সঠিকভাবে পালন করবো, এবং দল কে বিজয় করতে নিজের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে কাজ করবো। ইনশাল্লাহ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/