• বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০৩:০৭ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
গৃহহীন অসহায় মমতাজকে টিম হাসিমুখের ঘর উপহার! বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে যুবলীগের বিক্ষোভ দেশজুড়ে দৃষ্টিনন্দন ইসলামি ভাস্কর্য রামগঞ্জে দল্টা বাঙ্গালী ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের উদ্যোগে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পিং নকল আওয়ামী লীগের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে আসল আওয়ামীলী লীগ’ বসুরহাট পৌরসভার জনকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ আবদুল কাদের মির্জা ‘তুরস্কের আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে’ যুবলীগ সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি ভাস্কর্য বিরোধীতার আগে শিশু বলাৎকার বন্ধ করুন: ডা. জাফরুল্লাহ কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান ইমাম রাসেল’র জন্মদিন উদযাপন

কারাবন্দি জামায়াত নেতার বউ নিয়ে শিবির নেতা উধাও

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০

ফেনীতে অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী কারাবন্দি জামায়াত নেতা কামাল হোসেন প্রকাশ লতা কামালের স্ত্রী (২৭) পরকিয়া করে এক শিবির নেতার সাথে উধাও হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় তোলপাড় চলছে। ন্যাক্কারজনক এ ঘটনার জন্য ওই শিবির নেতার শাস্তি দাবি করেন এলাকাবাসী। শিবির নেতার নাম ইমাম উদ্দিন, সে গজারিয়া গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে।

জানা গেছে, দাগনভুইয়া পৌর সভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা জামাত নেতা কামাল হোসেন প্রকাশ লতা কামাল অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন, ফেনী কারাগারে আছেন। ওই মামলায় কামালের যাবজ্জীবন সাজা হয়। গ্রেফতার কৃত জামাত শিবিরের নেতাকর্মীদের কারাগারে দেখা শুনার দায়িত্ব পালন করে আসছে কামাল। ২০১৯ সালে নাশকতার মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যায় দাগনভূঁইয়া পূবচন্দ্রপুর মডেল ইউনিয়নের গজারিয়া বাজারের মনু হাফেজের বাড়ির জামাল উদ্দিনের ছেলে শিবির নেতা ইমাম উদ্দিন ইমাম।

তখন জামাত নেতা কামালের সাথে ইমামের সখ্যতা গড়ে উঠে। ইমাম কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে কামালের পরিবারের সাথে দেখা করতে যায়। তখন কামালের স্ত্রীর (২৭) প্রতি ইমামের কুনজর পড়ে। এভাবে আসা যাওয়ার মাধ্যমে উভয়ের মাঝে পরকিয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠে। কিছুদিন আগে কামালের বউকে নিয়ে ইমাম বাগিয়ে নিয়ে ঢাকায় চলে যায় বলে পরিবার সুত্র জানায়। এরপর বিয়ে করে ফেনীর বাসায় উঠে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। এমন ন্যাক্কার জনক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে স্থানীয়রা ইমামের শাস্তি দাবি করেন।

আব্দুর রহিম নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পরবর্তীতে ইমামের পরিবার সামাজিক ভাবে বিষয়টি সমাধান করে নিয়েছে। তাই এখন আর কোন সমস্যা নাই বলে তিনি জানান।

পলাতক হওয়ায় এ ব্যপারে ইমাম উদ্দিন ও কামালের স্ত্রীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় ইউপি সদস্য আইয়ুব আলী ঘটনাটি শুনেছেন বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/