• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২০, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
হাঁটু গেড়ে মাথা নত করে ক্ষমা চাইল যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম করোনায় আক্রান্ত! কিরণ একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। মানুষ করোনার চেয়ে শক্তিশালী-শাহজাদা মহিউদ্দিন নোয়াখালীতে রোগের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ বৃদ্ধের আত্মহত্যা চরহাজারীতে পল্লী চিকিৎসকদেরকে সুরক্ষা সরঞ্জাম দিলেন আমেরিকা প্রবাসী পিন্টু! নগদ অর্থ ও ঈদ উপহার সামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে ‘ছাত্রলীগ নেতা ও তার পরিবার’ নগদ অর্থ ও ঈদ উপহার সামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে ‘ছাত্রলীগ নেতা ও তার পরিবার’ করোনা দুর্যোগে বিপন্ন মানুষের জন্য কাজ করছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ নেতা এয়াকুব সায়িম ইমন। ঈদের পরের দিন বাজারে আসছে এ এইচ তুর্যের “জ্বলে পুঁড়ে অঙ্গার হইলাম”

বাংলাদেশ পুলিশকে KN-95 মাস্ক প্রদান ডা: ফেরদৌস খন্দকারের।

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৮ মে, ২০২০

শুধু নিউইয়র্কে নয় বাংলাদেশের মানুষের কাছেও ইতিমধ্যে মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাতি পেয়ে গেছেন ডা: ফেরদৌস খন্দকার। এবার তিনি করোনা যুদ্ধে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ বাংলাদেশ পুলিশের জন্য আমেরিকান স্ট্যান্ডার্ড এ নির্মিত ৪০০০ এন ৯৫ মাস্ক পাঠিয়েছেন।

সোমবার (১৮ মে) পুলিশ হেডকোয়ার্টারে এসব মাস্ক আই জি পি ড. বেনজির আহমদের কাছে হস্তান্তর করেন আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাদা মহিউদ্দিন।

এ প্রসঙ্গে ড. ফেরদৌস তার ফেসবুক ওয়ালে কয়েকটা ছবি শেয়ার লিখেছেন, সামগ্রীগুলোর সাথে আবেগ প্রচণ্ডভাবে জড়িত। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে পরিকল্পণা করলাম বাংলাদেশের সম্মুখযোদ্ধাদের পাশে দাঁড়াবো। বিশ্বমানের কোয়ালিটি, মানসম্পন্ন এন৯৫ মাস্ক যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে সংগ্রহ করলাম।কোনভাবেই দেশে পাঠাতে পারছিলাম না। কোন উড়োজাহাজ যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন থেকে একটি বিশেষ বিমান বাংলাদেশে যাবে জানতে পারলাম। সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত চেষ্টা করলাম। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বাধা, কার্গো হিসেবে পাঠানো যাবে না। তাই বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ইচ্ছা থাকার পরও সেভাবে পাঠানো গেলো না।

তিনি আরো লিখেছেন, শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের মাধ্যমে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলাম, লাগেজ হিসেবে। তারাহুড়া করে চারটি স্যুটকেস সংগ্রহ করলাম। এক হাজার কেএন৯৫, এক হাজার এন৯৫, সার্জিক্যাল মাস্ক পাঁচ হাজার, পাঁচ হাজার গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ইত্যাদি। শেষ পর্যন্ত দশ ঘন্টার রাউন্ড ট্রিপ ড্রাইভ করে নিউইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটন ডিসিতে চলে গেলাম, যাত্রীদের হাতে সেইসব স্যুটকেস তুলে দেয়ার জন্য। সবাই খুব সানন্দে এগুলো নেবার জন্যে রাজি হলেন। যারা নিতে চাইলেন, এমন কয়েকজনের মাধ্যমে সেগুলো বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিলাম। ধন্যবাদ। সাথে দু’জন মুমূর্ষু রোগীর ওষুধও পাঠিয়ে দিলাম।

যারা আমেরিকায় থাকেন, বাংলাদেশে আছেন এই মূহুর্তে। পুরো ব্যাপারটির মধ্যে আমার আবেগ জড়িত ছিল। তাই আমিও ঢেলে দিয়েছি। প্রিয় বাংলাদেশ ভালো থেকো। সহযোদ্ধারা চলুন দেশসেবার ব্রত হিসেবে একসাথে কাজ করি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/