• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২০, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
হাঁটু গেড়ে মাথা নত করে ক্ষমা চাইল যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম করোনায় আক্রান্ত! কিরণ একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। মানুষ করোনার চেয়ে শক্তিশালী-শাহজাদা মহিউদ্দিন নোয়াখালীতে রোগের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ বৃদ্ধের আত্মহত্যা চরহাজারীতে পল্লী চিকিৎসকদেরকে সুরক্ষা সরঞ্জাম দিলেন আমেরিকা প্রবাসী পিন্টু! নগদ অর্থ ও ঈদ উপহার সামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে ‘ছাত্রলীগ নেতা ও তার পরিবার’ নগদ অর্থ ও ঈদ উপহার সামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে ‘ছাত্রলীগ নেতা ও তার পরিবার’ করোনা দুর্যোগে বিপন্ন মানুষের জন্য কাজ করছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ নেতা এয়াকুব সায়িম ইমন। ঈদের পরের দিন বাজারে আসছে এ এইচ তুর্যের “জ্বলে পুঁড়ে অঙ্গার হইলাম”

মানুষ নাকি খেতে পায় না, দলে দলে ঈদের মার্কেট করে কারা?

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০

নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরী ফেসবুক লাইভে এসে নিজ নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালী, মাইজদী শহর, সদর উপজেলা ও সুবর্ণচরে লকডাউন কঠিনভাবে কার্যকরের অনুরোধ জানিয়েছেন। নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) তন্ময় দাস, পুলিশ সুপার (এসপি) আলমগীর হোসেন ও সিভিল সার্জন মোমিনুর রহমানের কাছে এ অনুরোধ




জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেসবুক লাইভে এসে এমপি একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, সবাই বলে মধ্যবিত্তরা খাবার পায় না। কিন্তু মাইজদী শহরের বিভিন্ন মার্কেটের একেকটি দোকানে ৩০-৪০ জন নারী দলবেঁধে ঈদবাজার করছেন; তারা কারা? এতে বোঝা যায় কেউ না খেয়ে নেই। খাবারের কোনো অভাব নেই।

মার্কেটে আসা নারীদের উদ্দেশ্যে এমপি একরামুল বলেন, মায়েরা; জীবন বাঁচলে অনেকবার ঈদের কেনাকাটা করতে পারবেন। এটি কেন চিন্তা করছেন না। আপনার ঘরে স্বামী-সন্তান আছে, শ্বশুর আছে, মা-বোন আছে। কেন তাদের কথা চিন্তা করছেন না। আপনি যদি শহর থেকে ক,রোনাভাই,রাস নিয়ে ঘরে যান তাহলে ঘরের লোকের কি অবস্থা হবে।

দুঃ,খের সঙ্গে বলতে হয় এত করে বোঝানোর পরও কেউ বুঝতে চায় না করোনার ভয়াবহতা। তাই আমি ডিসি-এসপিকে অনুরোধ করছি; আমার নির্বাচনী এলাকায় আগামীকাল শুক্রবার থেকে আবার লকডাউন কঠিনভাবে কার্যকর করুন। আমি এভাবে মানুষকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না। মানুষ আমাকে এমপি বানিয়েছেন সুখে-দুঃ,খে পাশে থাকার




জন্য। দোকানের সামনে বৃত্ত এঁকে দেয়া আছে। চারজনের বেশি একজনও দোকানে ঢুকতে পারবেন না। কিন্তু এখন দেখা যায় দলবেঁধে ঈদ কেনাকাটা করতে দোকানে ঢুকছেন ৫০-৬০ জন।এ বিষয়ে নোয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মোমিনুর রহমান বলেন, এ পর্যন্ত নোয়াখালীতে ৯১ জন ক,রোনায় আ,ক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে বেগমগঞ্জ উপজেলা ও চৌমুহনী 

পৌর এলাকায় ৫১ জন। পরিস্থিতি ভ,য়াবহ বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার সকালে ডিসিকে চিঠি দিয়েছি লকডাউন কঠিনভাবে কার্যকরের জন্য। কারণ যে হারে নোয়াখালীতে করোনা আ,ক্রান্ত বাড়ছে; তাতে মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ রাখতে না পারলে এখানে করোনা ভ,য়াবহ আ,কার ধারণ করবে। এ বিষয়ে নোয়াখালীর পু,লিশ সুপার (এসপি) আলমগীর হোসেন 

বলেন, নোয়াখালীতে করোনা সং,ক্রমণের হার হার দিন বাড়ছে। গত কয়েকদিনে এই সংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ। এ অবস্থায় নোয়াখালীতে আগের মতো লকডাউন কার্যকর অপরিহার্য। সেটি মাথায় রেখে আবার লকডাউনের প্রস্তুতি নিচ্ছি আমরা। নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) তন্ময় দাস বলেন, লকডাউন শিথিল করায় গত কয়েকদিনে চৌমুহনী 

বাজারসহ মাইজদীর বিভিন্ন মার্কেট ও দোকানে অ,বাধে ঘুরছে মানুষ। এতে গত কয়েকদিনে করোনা আ,ক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেছে। সেটি বিবেচনা করে আগামীকাল শুক্রবার থেকে লকডাউন কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/