• বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
গৃহহীন অসহায় মমতাজকে টিম হাসিমুখের ঘর উপহার! বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে যুবলীগের বিক্ষোভ দেশজুড়ে দৃষ্টিনন্দন ইসলামি ভাস্কর্য রামগঞ্জে দল্টা বাঙ্গালী ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের উদ্যোগে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পিং নকল আওয়ামী লীগের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে আসল আওয়ামীলী লীগ’ বসুরহাট পৌরসভার জনকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ আবদুল কাদের মির্জা ‘তুরস্কের আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে’ যুবলীগ সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি ভাস্কর্য বিরোধীতার আগে শিশু বলাৎকার বন্ধ করুন: ডা. জাফরুল্লাহ কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান ইমাম রাসেল’র জন্মদিন উদযাপন

এক অদম্য সাহসী জনবান্ধব নেতা আবদুল কাদের মির্জা!

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২০

স্বাধীনতা পরবর্তী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ছাত্র রাজনীতিতে পদার্পনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় একজন আবদুল কাদের মির্জার রাজনীতির যাত্রা।বলা যায়,গত তিন দশকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সকল সহযোগী সংগঠন গুলোকে শক্তিশালী করার জন্য রাজনীতিতে যিনি সবচেয়ে বেশী ভুমিকা রেখেছেন তিনিই আবদুল কাদের মির্জা।

৭৫ পরবর্তী ছাত্রলীগ যখন শূর্ন্যের কোটায় তখন থেকে তিল তিল করে আজকের এ অবস্থানে এনেছেন তিনি। আশির দশকে বসুরহাট সরকারী মুজিব কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।সেসময় থেকেই রাজনৈতিক হিংসা -প্রতিহিংসার শিকার হয়ে বহুবার হামলার শিকার হয়েছেন।কয়েকবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরেও এসেছেন।রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে অসংখ্যবার মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছেন। কিন্তু কখনো নীতিহীন হন নি,অন্যায়ের সাথে আপোস করেন নি কখনো।

দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার কিছুদিন পর দলীয় সর্বসম্মতি ক্রমে আবদুল কাদের মির্জাকে বসুরহাট পৌরসভা মেয়র মনোনিত করা হয়।দায়িত্ব নেয়ার পরপরই টিএনটি অফিসের ভুতুড়ে বিল সহ নানান দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান তিনি।

মেধা, ধৈর্য্য এবং অসীম সাহসের অধিকারী আবদুল কাদের মির্জা ২০০০ সালে যখন শিক্ষা ব্যাবস্থায় নকলের ছড়াছড়ি,শিক্ষা ব্যাবস্থ্যা ধ্বংসের মুখে তখন সাহসের সাথে নকল মুক্ত কোম্পানীগঞ্জ গড়ার ঘোষনা দেন এবং তখন তিনি সফলও হন।

২০০১ সালের ১ অক্টোবর আওয়ামীলীগ সরকারের পরাজয় হওয়ার পর কোম্পানীগঞ্জ আবার মদ, গাঁজা, জুয়া,দুর্নীতির আখড়ায় পরিনত হয়।দুঃশাসনের সেই সময় আবদুল কাদের মির্জাকে মির্থ্যা ও সাজানো মামলা দিয়ে কারাগারে প্রেরন করে।২০০৬ সালে জামিনে এসে মৃত প্রায় আওয়ামীলীগকে আবার পুনরুজ্জীবিত করেন তিনি।

এসময় সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও শাখায় দায়িত্ব দিয়ে দলকে চাঙ্গা করেন।এরপর ২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিপুল ভোটে জননেতা ওবায়দুল কাদের স্যারকে বিজয়ী করনের মাধ্যমে প্রমান হয় আবদুল কাদের মির্জা একজন দক্ষ সংগঠক। এরপর আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে কেম্পানীগঞ্জে শান্তিপুর্ণ সহ-অবস্থান ও সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী বন্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন আবদুল কাদের মির্জা। যার কারনে জনসাধারনের কাছে তিনি অনেক প্রসংশিত হয়েছেন।

সমাজ, দেশ, মাটি ও মানুষের জন্য যার রাজনীতি সেই আবদুল কাদের মির্জা নিজের কর্মগুণে তিনবার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।নির্বাচিত হয়ে পৌরসভার দৃশ্যপট এমনই পরিবর্তন করেছেন যার কারনে বসুরহাট পৌরবাসী আধুনিক ও প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা তৈরির নায়ক বলতে আবদুল কাদের মির্জাকেই জানে এবং বুঝে।

তিনি দীর্ঘ ৪৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে ভোগ বিলাস করতে কোম্পানীগঞ্জের বাহিরে যাননি। তার দীর্ঘ পথচলা কোম্পানীগঞ্জের মানুষের সুখ দুঃখের সাথী হয়ে। তার সাথে রাজনীতি করা, চলাফেরা করা অনেকেই আজ দেশে বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় ব্যাবসা বানিজ্য সহ বিভিন্নভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন । তিনিও চাইলে তাদের মত করে প্রতিষ্ঠিত হতে পারতেন কিন্তু তিনি তা না করে কোম্পানীগঞ্জের সাধারন মানুষের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

যায় হোক, বর্তমান যুবসমাজ ধ্বংস ও মেধাহীনতার দিকে অগ্রসর, সামাজিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রধান ও অন্যতম কারন মাদক। সারা বাংলাদেশে ফাঁসির মতো বিধান রাখার পরও নিয়ন্ত্রন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ২০০৮ এর পর থেকে বর্তমান উপজেলায় চোর এবং ডাকাতির মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে যেরকম জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরন করেছে আবদুল কাদের মির্জা তেমনি বর্তমান সময়ে উপজেলায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাড়ায়, মহল্লায় সভা সেমিনার করে মাদক সেবনকারী ও ব্যাবসায়ীদের সতর্ক করেছেন।যা জনসাধারনের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

এদিকে করোনা মহামারীতে পৃথিবী যখন কঠিন অবস্থায় তখন বাংলাদেশে করোনা রোগী ধরা পড়ার আগে থেকেই কোম্পানীগঞ্জকে পরিষ্কার পরিচ্চন্ন রাখতে দিনরাত পরিশ্রম করেছেন মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।ইতিপূর্বে পরিষ্কার পরিচ্চন্ন অভিযান, করোনা প্রতিরোধে উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যন্ত বিচরন করেছেন তিনি।এছাড়াও করোনা সংকটে জনদুরত্ব নিশ্চিত করন ও খাদ্য সংকট যেনো না পড়ে এবং কেউ যেনো না খেয়ে থাকে সে লক্ষ্যে দিন রাত নিজের জীবন বাজী রেখে ছুটছেন গ্রামীন জনপদে।

সম্প্রতি করোনা সংকট,শ্রমিক সংকটে কৃষকের ধান কাটা,খাদ্য সংকট মোকাবেলা এবং ডেঙ্গু প্রকোপ থেকে বাঁচতে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন প্রিয় নেতা আবদুল কাদের মির্জা।এ বার্তা তৃনমুল পর্যন্ত পৌছাতে জনদুরত্ব নিশ্চিত করে মতবিনিময় সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান,উপজেলা প্রশাসন,পুলিশ বিভাগ,স্বাস্থ্য বিভাগ,সরকারী দপ্তর প্রতিনিধি,ইউপি চেয়ারম্যান, জনপ্রতিনিদি,বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দের উপস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্তু কিছু মানুষ এটিকে ভুল বুঝে সংবাদ মাধ্যমে ও সামাজিক মাধ্যমে ভুল ভাবে উপস্থাপন করেছেন।যা অত্যান্ত দুঃখজনক।পরিশ্রমী, মানবিক এবং জনবান্ধব নেতা আবদুল কাদের মির্জা ভাইয়ের জনস্বার্থে কর্মযজ্ঞের এ ভুল উপস্থাপনের তীব্র নিন্দা জানাই।

মো.নুরুল করিম জুয়েল,
সাবেক সহ-সভাপতি,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/