• শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
গৃহহীন অসহায় মমতাজকে টিম হাসিমুখের ঘর উপহার! বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে যুবলীগের বিক্ষোভ দেশজুড়ে দৃষ্টিনন্দন ইসলামি ভাস্কর্য রামগঞ্জে দল্টা বাঙ্গালী ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের উদ্যোগে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পিং নকল আওয়ামী লীগের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে আসল আওয়ামীলী লীগ’ বসুরহাট পৌরসভার জনকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ আবদুল কাদের মির্জা ‘তুরস্কের আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে’ যুবলীগ সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি ভাস্কর্য বিরোধীতার আগে শিশু বলাৎকার বন্ধ করুন: ডা. জাফরুল্লাহ কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান ইমাম রাসেল’র জন্মদিন উদযাপন

নড়াইলে বেকার হয়ে পড়া হতদরিদ্র, অসহায় মানুষের পাশে,

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ মে, ২০২০

দাড়ালেন আলহাজ্জ্ব খান মোঃ কবির হোসেন!!
উজ্জ্বল রায় (নড়াইল জেলা) প্রতিনিধিঃ    নড়াইলে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বেকার হয়ে পড়া হতদরিদ্র, অসহায় ও দু:স্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলহাজ্জ্ব খান মোঃ কবির হোসেন।করোনা সংক্রমণ শুরুর পর থেকে অনেকটা নীরবে গরীব ও অসহায় মানুষের বাড়িতে চালসহ নিত্যপয়োজনীয় পণ্য নিজ উদ্যোগে পৌঁছে দিচ্ছেন। উজ্জ্বল রায় (নড়াইল জেলা) প্রতিনিধি জানান,  প্রচার-প্রচারণা থেকে সব সময় নিজেকে দূরে রাখা পরোপকারী ও দয়ালু এ মানুষটির একমাত্র ব্রত বিপদকালীন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ানো। আর এ কাজে তিনি সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকেন মমতাময়ী মায়ের কাছ থেকে।বিভিন্ন দুর্যোগ এবং চরম দু:সময়ে তার কাছ থেকে উপকার বা সহযোগিতা পাননি জেলা শহর তথা রুপগঞ্জ, ভাদুলীডাঙ্গা, ভওয়াখালী, কুড়িগ্রাম এবং মুলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের এমন দরিদ্র কিংবা গরীব মানুষ পাওয়া দুষ্কর।

গরীবের বন্ধু বলে পরিচিত নড়াইল পৌরসভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী খান মোঃ কবির হোসেন করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন,বেকার হয়ে পড়া মানুষের মাঝে নিজস্ব তহবিল থেকে বিতরণ করেছেন চাল, ডাল, তেল, পিঁয়াজ, রশুন,লবন, সাবান, মাস্কসহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য।যখনই শুনছেন দু:খী মানুষের কথা তখনই ছুটে গিয়েছেন তার দ্বারপ্রান্তে।চেষ্টা করেছেন দু:খী-দূর্দশাগ্রস্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে।গরীব-অসহায় তথা যেকোন অভাবী মানুষের বেদনা তাকে সব সময় নাড়া দেয়।বয়োবৃদ্ধ লোকজনদের নিজের পিতা-মাতা সমতূল্য মনে করে তাদের দু:খ কষ্ট লাঘবের আপ্রাণ চেষ্টা করে থাকেন।সহযোগিতা প্রত্যাশী কাউকে বিমূখ করেন না।অসাম্প্রদায়িক সাদা মনের এ মানুষটির কাছে জাতি, ধর্ম কোন ভেদাভেদ নেই।সব ধর্ম,বর্ণের মানুষকে সমান চোখে দেখে থাকেন। করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে তিনি এলাকার হতদরিদ্রদের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণসহ নানাভাবে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন।মানব কল্যাণে তিনি নিজস্ব তহবিল থেকে অসহায়, দরিদ্র ও কর্মহীনদের কষ্ট লাঘব করতে তাদের মাঝে চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ অব্যাহত রেখে চলেছেন।

সফল ব্যবসায়ী খান মোঃ কবির হোসেন বলেন, নড়াইলকে করোনার প্রাদুর্ভাব মুক্ত রাখতে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছি। করোনা নিয়ে আতংকিত হবার জন্য তিনি সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। করোনার প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্ত হতে তিনি মহান আল্লাহর রহমত ও সাহায্য কামনা করেন।

নড়াইল পৌরসভার ভাদুলীডাঙ্গার বাসিন্দা আলহাজ্জ্ব খান মোঃ কবির হোসেন ছোটকাল থেকেই বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কর্মকান্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।জনপ্রিয় এই সমাজ সেবক নড়াইল পৌরসভার কমিশনার পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত মেয়র নির্বাচিত হয়ে জনসেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে সামাজিক উন্নয়ন করায় এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হন। নড়াইল পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র পদে অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি পৌর এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করে সাড়া ফেলেন। তিনি পৌর কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দ্বায়িত্ব পালনকালে যেসব উন্নয়ন করেছেন, আজ পর্যন্ত কেউ এতো উন্নয়ন করতে পারেন নাই বলে পৌর এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে। সব সময় সহজ সরল সাভাবিক জীবন যাপন করেন এ মানুষটি। নিরহংকার এই সমাজ সেবক এলাকার মসজিদ,মন্দির ,মাদরাসা ও মসজিদে অনেক অনুদান দিয়েছেন তিনি।

নড়াইল পৌরসভা ও পার্শ্ববর্তী মুলিয়া ইউনিয়নের গরীব দুঃখীদের শেষ আশ্রয় স্থল হচ্ছেন তিনি। এসব জনপদে মেয়ের বিয়ে,চিকিৎসা ব্যয়,শ্রাদ্ধ, পারিবারিক খরচ সহ সকল সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তার উল্লেখযোগ্য সহযোগিতা বিদ্যমান থাকে। তিনি প্রতি বছর এলাকার গরীব শিক্ষার্থীদের বই,খাতা ও কলম কেনার জন্য আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। অনেক শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার খরচ বহন করে থাকেন তিনি।তার আনুকূল্যে এলাকার এতিম শিশুরা ভালো থাকা ও খাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। নড়াইল সদরের মুলিয়া ইউনিয়নের অবহেলিত জনপদ ননীক্ষীর,বনগ্রাম,বড়েন্দার এলাকার গরীব খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য বিপুল পরিমান আর্থিক সহযোগিতা দিয়েছেন তিনি। সমাজ সেবক খান কবীর নিজের জায়গা জমি গরীব ভূমিহীনদের চাষাবাদ করার সুযোগ দিয়ে তাদের নিকট হতে তিনি কোন সুবিধা গ্রহণ করেন না। বরং অনেক গরীব কৃষককে তিনি সার,কীটনাশক কিনে দেন নিজের অর্থ দিয়ে। সমাজের মানুষকে ভালো রাখাই যেন তার কাজ। প্রতিবেশি, গ্রামের মানুষ ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষদের ভালো রাখার জন্য তিনি একজন নিবেদিত প্রাণ মানুষ। মানব সেবাই তার পরম ধর্ম।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/