• বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
গৃহহীন অসহায় মমতাজকে টিম হাসিমুখের ঘর উপহার! বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে যুবলীগের বিক্ষোভ দেশজুড়ে দৃষ্টিনন্দন ইসলামি ভাস্কর্য রামগঞ্জে দল্টা বাঙ্গালী ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের উদ্যোগে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পিং নকল আওয়ামী লীগের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে আসল আওয়ামীলী লীগ’ বসুরহাট পৌরসভার জনকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ আবদুল কাদের মির্জা ‘তুরস্কের আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে’ যুবলীগ সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি ভাস্কর্য বিরোধীতার আগে শিশু বলাৎকার বন্ধ করুন: ডা. জাফরুল্লাহ কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান ইমাম রাসেল’র জন্মদিন উদযাপন

চায়া পায়া পত্রিকার হকার থেকে বার্তা সম্পাদক

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ মে, ২০২০

উজ্জ্বল রায় (নিজস্ব প্রতিবেদক) নড়াইলঃ চায়া পায়া পত্রিকার হকার থেকে বার্তা সম্পাদক।   

সালটা ২০১৬ পাঠক হিসাবে পত্রিকায় যাত্রা এবং অবিচল ছুটে চলা। তারপর এভাবে সেভাবে নতুন করে হাত ছানি দিলো নতুন বছর নতুন একটি সাল ২০১৭। কেবল পাঠকের মন সাংবাদিকতায় ব্যকুল হয়ে উঠলো । যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের সাহায্যে লেখালেখি শুরু ২০১৩ থেকে। তবে; সাংবাদিকতা যেন আমার রক্তে মাংসে মিলিত হয়ে গেল।

ছোট একটি চাকরি করতাম খুবই অল্প বেতনের। কিন্তু সেই চাকরির সুবাধে প্রতিদিন সংবাদ পড়ার নেশা থেকে সংবাদ সংগ্রহের নেশাতে রূপান্তরিত হতে থাকলো ।

শেখ আলী আকবার সম্রাট প্রথম একটি লেখা দৈনিক নওয়াপাড়া পত্রিকাতে প্রকাশিত হওয়ার মধ্য দিয়েই পত্রিকার কাগজে লেখার যাত্রা শুরু করা। যদিও পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হারুণ অর রশিদ ভাইজানের লেখা অনুসরণেই আমার লেখার অবিরম পথচলা। সত্য বলতে তিনার প্রতিদিনের লেখা আমাকে লেখার অনুপ্রেরণা জাগাই। তিনার প্রতিদিনের লেখা আমার কাছে ঈশ্বরীয় একটি দান।

এদিকে শেখ আলী আকবার সম্রাট লেখালেখির যাত্রায় দেখতে দেখতে আরও একটি বছর অতিবাহিত হয়ে ২০১৮ সন। এবার কাগজে সংবাদ দিতে আবেগি হয়ে উঠা। কেবল আমি সংবাদ সংগ্রহে ছুটে চলি সীমাহীন…।

সংবাদ আর সাংবাদিকের এমন চক্রে এগিয়ে এলেন ড. শেখ এম এ জলিল , যিনি আমার পিতা সমতুল্য আপন মামা হন। আমার মামার মাধ্যমে আমার লেখার দ্বিতীয় প্রকাশ দক্ষিণ বঙ্গের জনপ্রিয় একটি কাগজ দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরা কাগজে।

এদিকে তখনও আমি চাকরি করি অল্প বেতনের সেই প্রতিষ্ঠানে।

শেখ আলী আকবার সম্রাট কাজের ফাকে সংবাদ পড়া আর সংগ্রহ করা তখনও থেমে নেই । সালটা ২০১৮ শেষ পথেই হাঁটছে । আমি সাংবাদিক হবো আনন্দে আবেগে আপ্লূত হয়ে উঠতাম। আমার খুবই ইচ্ছে ছিলো দক্ষিণ বঙ্গের জনপ্রিয় আরও একটি পত্রিকা দৈনিক নওয়াপাড়া কাগজে সাংবাদিকতা করার। কিন্তু ইচ্ছেটা ইচ্ছে হয়েই রইলো।

সাংবাদিকতায় যদিও হকার থেকে উঠে আসা আমার । দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরা কাগজে মামা ডা.শেখ এম এ জলিল সাংবাদিক আর আমি তিনার কাগজের হকার ।

আর এই হকার হওয়ার কারণেই শিল্পবন্দর নগরী নওয়াপাড়া শহরের রিপন সাংবাদিকের সাথে 

শেখ আলী আকবার সম্রাট পরিচয় হকার হলেও সবাই আমাকে সাংবাদিক হিসাবেই জানতে থাকে ।এখন আমি সাংবাদিক না হয়েও সাংবাদিক । হকার শব্দটা সেই ভাবে প্রকাশ না পেলেও আমি জানি আমি হকার ।

তখনও আমি সেই অল্প বেতনের চাকরিটি করছি । কিন্তু চাকরির পাশাপাশি হকারের কাজ করতাম বলে চাকরিকৃত মালিক আমাকে খুবই বকতো ।আমার ওপাশতে গালাগালও করতো। আমি বকা খেলেও বিষয়টি হাসি দিয়ে উড়িয়ে দিতাম। আমি জানতাম পড়ের চাকরি করতে হলে অনেক কিছু সহ্য করতে হতো ।

শেখ আলী আকবার সম্রাট

এদিকে আমার লেখার যাত্রা নায়ক হারুণ অর রশিদ ভাইজানের কাছে লেখালেখি বিষয়ে প্রচুর হেল্প পেতাম যা বলে শেষ করা যাবেনা । আমি যদি তিনার সম্পর্কে লেখা শুরু করি হয়তো লেখার শুরু থেকে শেষ করাটা অসমাপ্ত হয়েই থাকবে । আর যদি সংক্ষেপে লেখি তাহলে এক কথায় তিনি অসাধারণ একজন মানুষ।

আমি সাংবাদিক তবে সাংবাদিকের পরিচয় পত্র ছাড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করেছি । আমার মামাকে অনেক বার বলেছি একটা প্রেস কার্ড’র জন্য কিন্তু…………।

যায় হোক , এভাবে সেভাবে করে সাংবাদিক সিরাজের সাথে আমার পরিচয় শিবপদ শুভ দাদার মাধ্যমে। শিবপদ শুভ’র দাদার বিষয় নিয়েও একটা সুন্দর বই লেখা সম্ভব । তবে এখন আমি এই মুহূর্তে বই লিখতে অবশ্য চাইবো না । কিন্তু একটু বিবরণ দেওয়া যেতে পারে ১। কবি কৃপাচর্য ২। আবদুল্লাহ আল মামুন থাক বিবরণ টাও একটি বই লিখতে সময় চলে যাবে । 

শেখ আলী আকবার সম্রাট সিরাজ সাহেবের সাথে পরিচয় হওয়ার পর একদিন তিনি আমাকে বললেন মানবাধিকার সংঘঠনে আমাকে নিতে চান । আমি তিনার কথায় স্বমত প্রকাশ করে ১০০০ টাকা দিলাম ।

সপ্তাহ কছুদিন পরে আমাকে একটি কার্ড দিলেন আমাকে কোষাধ্যক্ষ হিসাবে তিনি দায়িত্ব দিলেন । আমি অফিসিয়াল ভাবে দায়িত্ব পালন করতে থাকলাম । কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পড়িহাস । দুর্নীতি কারণে আলো জ্বলার আগেই মুখ থুবড়ে পড়ে গেলো। এরপর বাংলাদেশ রিপোর্টারস ক্লাব দাড় হলেও ব্যবস্থাপনা ও কর্মকাণ্ড দুর্বল হওয়ায় সেটাও মুখ থুবড়ে পড়ে গেলো। যদিও আমি এই সংঘঠনে দপ্তর সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পাই।

শেখ আলী আকবার সম্রাট
তিনাদের সচ্ছতার কারণে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদের পক্ষথেকে মাহাবুবর রহমান নান্নু কে আহ্বায়ক করে একটি টিম করতে বলা হয়। সত্য বলতে এখানেও আমি আহ্বায়ক কমিটির একজন সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করছি।এই দুই সংঘঠনের মধ্যে তিনজন মানুষ সৎ এবং পরিচ্ছন্ন মনের ছিলেন তাঁরা হলেন, মাহাবুবর রহমান নান্নু। ইঞ্জিঃ মোঃ মনিরুল ইসলাম লাবলু। মোঃ মাহাবুবু রহমান।

এর মধ্যে মোঃ মাহাবুবর রহমান ভাইয়ের থেকে আমাকে হঠাৎ ফোন কলের মাধ্যমে জানালেন , দৈনিক প্রতিবাদী কণ্ঠের বার্তা সম্পাদক হিসাবে আমাকে দায়িত্ব দিতে চান আমি তখনও আর না করি নি । কিন্তু এই দায়িত্ব পাওয়ার আগ মুহূর্ত এবং এখনও পর্যন্ত আমি কার্ডছাড়া একজন সাংবাদিক।

শেখ আলী আকবার সম্রাট

তবে ; দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরার হকার হিসাবে কাজ করা অবস্থায় বসুন্দিয়ার ওসমান নামের একজন সাংবাদিকের সাথে আমার পরিচয় হয়। তিনার সাথে পরিচয় হওয়ার পর থেকে নিজের ভাইয়ের মতো দেখেছি । একপর্যায়ে তিনার সাথে একদিন মিনিট পাঁচ সাক্ষতও করলাম । আমাকে তিনি বললেন টিভি সাংবাদিক হিসাবে কাজ করতে । আমি সাংবাদিক হবো আমার একটা কার্ড হবে এই আশায় তিনার কথাতেও রাজি হয়েগেলাম তখনও সালটা ২০১৯ ।

শেখ আলী আকবার সম্রাট

এবার ২০২০ ছুঁইছুঁই তবে আমি cintv24এর ক্যামেরাম্যান হিসাবে কার্ডছাড়া সাংবাদিক । মাস টা সঠিক মনে নেই কিন্তু সালটা ২০২০ আমাকে উন্নয়নের পথে বাংলাদেশ নামক একটি প্রামাণ্য অনুষ্ঠানের কাজের ক্যামেরা ম্যান হিসাবে দায়িত্ব দিবেন তার জন্য দরকার আমার পরিচয় পত্র। আমি আমার যতটুকু পরিচয় দরকার দিতে চেষ্টা করলাম । একদিন আমাকে সাংবাদিক ওসমান বললেন আমার কার্ড আনতে টাকা দিতে হবে ৩,০০০ ।

কষ্টের হলেও সত্য এটা যে, টাকা অফিস পাইনি আর আমিও পাইনি আমার প্রেস কার্ড। তবে আমি এখনও সাংবাদিক , আমি আমার মতো ফেসবুকে সংবাদ লেখি আমি ওসমানের সংবাদ লেখি আমি লেখি আরও অনেকের সংবাদ কিন্তু আমি নিয়ম অনুশরে এখনও কার্ড ধারি সাংবাদিক নয় ।

১৭ মার্চ ইতিহাসের এক অন্য নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৭ মার্চ আরও এক ইতিহাস দৈনিক প্রতিবাদী কণ্ঠ সম্পাদক মোঃ মাহাবুবর রহমান আমার সাহস এবং আমার পথচলা । ভুলকে ভড়কে দিয়ে আগলে রাখেন তিনি আমাকে। ক্ষুধার্ত পেটে আহারের আর এক নাম। আমার মনে হয় তিনি আল্লাহ’র একজন প্রিয় মানুষ , যে মানুষ আমাকে নিজের ভাইয়ের আসনে রেখে সকল বিপদ থেকে রক্ষা এবং সাধারণ গরিব মানুষের একজন দেবদূত।

আমি অনেক হকারি করেছি কিন্তু তিনি আমাকে সরাসরি হকার থেকে বার্তা সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালনে তিনার প্রতিষ্ঠান আমার উপর ছেড়ে দেলেন । আমি তিনার বিশ্বাস আর ভালবাসা নিয়েই সকল বিপদ আপদ উপাক্ষা করেই এখন একজন কার্ড ধারি সাংবাদিক , এখন আমি শুধু সাংবাদিক নয়, পএিকার হকার থেকে সাংবাদিক ও বার্তা সম্পাদক শেখ আলী আকবার সম্রাট।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/