• শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
গৃহহীন অসহায় মমতাজকে টিম হাসিমুখের ঘর উপহার! বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে যুবলীগের বিক্ষোভ দেশজুড়ে দৃষ্টিনন্দন ইসলামি ভাস্কর্য রামগঞ্জে দল্টা বাঙ্গালী ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের উদ্যোগে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পিং নকল আওয়ামী লীগের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে আসল আওয়ামীলী লীগ’ বসুরহাট পৌরসভার জনকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ আবদুল কাদের মির্জা ‘তুরস্কের আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে’ যুবলীগ সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি ভাস্কর্য বিরোধীতার আগে শিশু বলাৎকার বন্ধ করুন: ডা. জাফরুল্লাহ কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান ইমাম রাসেল’র জন্মদিন উদযাপন

নড়াইল জেলা পুলিশের মানবিক আচরনে প্রশংসা মানুষের মুখে মুখে!!

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২০

উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিবেদক নড়াইলঃ    নড়াইল জেলা পুলিশ মানেই রুক্ষ মুখ, নীল পোশাক আর লাঠিপেটা করার যন্ত্র নয়, পুলিশের কঠোর বহিরঙ্গের আড়ালে নরম একটা মন আছে সেই ধারনা শাখা প্রশাখা ছড়াতে শুরু করেছে নড়াইল সহ দেশের প্রতিটি অঞ্চলে। দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেবার পর তা আরো স্পস্টই হয়ে উঠছে। মানবিক পুলিশের আচরনে পুলিশের প্রশংসা মানুষের মুখে মুখে।করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে চলছে সাধারণ ছুটি। কিন্তু ছুটি নেই পুলিশের । দিন রাত কাজ করছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে। শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নয়। কাজ করছে সব শ্রেনীর মানুষের জন্য। সব রকম কাজ। সাধারণ মানুষের যাতে কষ্ট না হয় সে জন্য ঘরে ঘরে খাবার পৌছে দিচ্ছেন। এইতো গত সপ্তাহের ঘটনা। করোনা ভাইরাসে লকডাউনে থাকা পরিবারের বাসায় গিয়ে পুলিশ সুপার (এসপি) জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার)      খাদ্যসামগ্রী দিয়ে এসেছিলেন। বাড়িতে পুলিশ সুপারের আকস্মিক আগমনে অবাক হন অনেকে। হঠাৎ খাবার নিয়ে বাড়িতে এসপি আসায় তাদের মন ভরে গেছে। মন ভরে এসপি ও পুলিশের জন্য দোয়া করেন। এরকমটা দেশের সব পুলিশই চেষ্টা করছে। করোনা ভাইরাসের সংকটময় মুহূর্তে নড়াইলের লোহাগড়া থানা পুলিশ সদস্যদের বেতনের টাকায় কর্মহীন ১০০ গরিব পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। করোনাভাইরাস এ কেউ মারা গেলে স্থানীয় লোকজন পরিবারের লোকজন পর্যন্ত কাছে আসছে না এখানে পুলিশ জানাযা থেকে দাফন পর্যন্ত করছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা গেছে করোনার ভয়ে ছেলে-মেয়েরা মাকে জঙ্গলে ফেলে দিয়ে গেছে অথবা চরে ফেলে আসা হয়েছে করোনাক্রান্ত মনে করে। এমন সব মানুষদের তুলে নিয়ে সেবা দিচ্ছে পুলিশ। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বিষয়টি স্পষ্ট আমাদের দেশে এত বড় সংকট পূর্ণ মুহূর্তে নিজের জীবন বাজি রেখে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে পুলিশ।এদিকে, দিন রাত এক করে দেওয়া পুলিশের মধ্যেও করোনাতাংক বিরাজ করছে ইতিমধ্যে আক্রান্ত হয়েছে অনেক পুলিশ। সারাদেশে পুলিশের ৬৫ এর বেশি সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় ৬ শতাধিক পুলিশ সদস্যকে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। সংক্রমক ঠেকাতে চিকিৎসকদের পরই পুলিশ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সংক্রমণ ঠেকাতে শুধু লাঠি হাতেই নয়, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে, কখনও কখনও পলায়নকৃত করোনা রোগীকে ধরে আনা, করোনা আক্রান্তের বাসা, ভবন ও এলাকা লকডাউন করা, ত্রাণ বিতরণসহ নানা কাজে দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ। এসব করতে গিয়েই পুলিশ সদস্যরা করোনা সংক্রমিত হচ্ছেন।
পুলিশের সুরক্ষার বিষয়ে এখন পর্যাপ্ত পরিমাণ সুরক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করা যায়নি। আবার দায়িত্ব পালনের সময় ‘অসাবধানতাবশত’ সাধারণ মানুষের সংস্পর্শে এসেও অনেক পুলিশ সদস্য সংক্রমিত হয়েছেন। এতে ঝুঁকিও বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরী। বিশ্বের এমন পরিস্থিতি একসময় বদলে যাবে। বদলে যাবে বাংলাদেশও। শুধু মানুষের চাওয়া পুলিশের ভাবমুর্তি অক্ষুন্ন থাকুক বিপদ কেটে গেলেও। পুলিশের জন্য ভালবাসাটুকু লেগে থাকুক জন্ম থেকে জন্মান্তরে। উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিবেদক নড়াইল।    

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

http://digitalbangladesh.news/